গতকাল (শনিবার, ১০ অক্টোবর) বিকেলে টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার কাঞ্চনপুর কিম্মত আলী গোলাম রব্বান খান উচ্চ বিদ্যালয়ের চারতলা ভিত বিশিষ্ট একতলা ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আহমেদ আযম খান বলেন, ‘পাঁচ বছর আমাদের পাশে থাকেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করেন। সরকারের পাশে ঐক্যবদ্ধ থাকেন। বিরোধী দলের উস্কানিতে পা দেবেন না। ইনশাআল্লাহ আমরা দেশটাকে গড়ে তুলবার জন্য কাজ করছি। পাগল হয়ে গেছে বিরোধীদল, এখনই ক্ষমতার জন্য।’
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা ভালো কাজে সমর্থন দিন। খারাপ কাজে সমালোচনা করুন। ওই সংসদে বসে, রাস্তায় কেন মানুষের ক্ষতি করছেন? মানুষের অসুবিধা করছেন। যদি আমরা খারাপ করি, পাঁচ বছর পরে জনগণকে বলবেন। আর যদি ভালো করি জনগণ আমাদেরকে ভোট দেবে।’
তিনি বলেন, ‘এখন বিরোধীদল যা শুরু করেছে, তাতে যে কয়টা সিট পাইছে আগামী নির্বাচনে তো জনগণ তাও দেবে না। যে এরা ঝামেলা তৈরি করে। এরা ঝামেলা তৈরি করে। কাজেই আশা করি, আপনারা বিএনপির সঙ্গে থাকবেন ও ঐক্যবদ্ধ থাকবেন। আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে, এই সরকারের সঙ্গে ঐক্যবদ্ধ থাকবেন।’
মন্ত্রী বলেন, ‘এই সাত মাসে আমি প্রতি সপ্তাহে বাসাইল ও সখীপুরে আসি। সরকারের প্রচুর বরাদ্দ আসে। আমি আপনাদের মাঝে বিতরণ করি। আমি দিন-রাত কাজ করছি। একটা দিন আমার ছুটি ও বিশ্রাম নাই। এভাবে ৩০০ নির্বাচনি এলাকায় আমাদের এমপি-মন্ত্রীরা দিন-রাত খাটচ্ছেন। তারপরও বিরোধীদল কত যে ধ্বংসাত্মক কাজ করছে, কথা বলছে, লংমার্চ করে যাচ্ছে। তেলের অভাবের মধ্যেও শতশত গাড়িতে তেল ভরে তারা লংমার্চ করছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘যেখানে কোনো রকমের অঘটন ঘটেছে, সেখানেই আমরা ব্যবস্থা নিচ্ছি। সেই অঘটন যদি তাদের লোক করে, তাহলেই বিরোধীতা করে তারা। তারা নানা রকমের হুমকি-ধামকি দেয়। আমি তো স্পষ্ট বলি যে, বাংলাদেশে জনগণ এক বছরের জন্য তো এই সরকারকে ভোট দেয়নি। পাঁচ বছরের জন্য ভোট দিয়েছে।’
মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী বলেন, ‘আমি আপনাদের খাদেম, সন্তান ও সেবক। আমরা পাঁচটা বছর কাজ করবো। আপনারা আমার হাতকে শক্তিশালী করবেন। আমার সরকারের হাতকে শক্তিশালী করবেন। বিরোধীদলের বিভ্রান্তমূলক, ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডে আপনারা বিভ্রান্ত হবে না। এই অনুরোধ আপনাদের কাছে রইলো। যখন ডাকবেন তখনই চলে আসবো।’
বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি মো: শরিফুল ইসলাম খানের সভাপতিত্বে এসময় উপস্থিত ছিলেন, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রীর সহধর্মিণী বেগম নার্গিস সিদ্দিকা, উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. ইকবাল হোসেন, সহকারী পুলিশ সুপার (সখীপুর সার্কেল) এ.কে.এম মামুনুর রশীদ, বাসাইল থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আলমগীর কবির প্রমুখ।





