গতকাল (শনিবার, ১০ অক্টোবর) রাতে বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
এর আগে, সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে বৈঠক শুরু হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী ও দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
রিজভী জানান, ঢাকাসহ সারা দেশের পূজামণ্ডপে হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা যেন নির্বিঘ্নে ও নিরাপদে পূজা উদযাপন করতে পারেন এবং উৎসবে শামিল হয়ে একে অপরের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করতে পারেন, তা নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। এ লক্ষ্যে সারা দেশের বিভিন্ন পূজামণ্ডপে দলের নেতাকর্মীরা স্থানীয় পূজা উদযাপন কমিটির সঙ্গে সমন্বয় করে কীভাবে স্বেচ্ছাসেবকের ভূমিকা পালন করবেন, সে বিষয়েও আলোচনা হয়।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, ‘নানাভাবে দেশের বিরুদ্ধে এবং গণতান্ত্রিক সরকারের বিরুদ্ধে কেউ কেউ বিভিন্ন ধরনের নীলনকশা করছেন। তবে সব ধরনের অপপ্রচার, অপকীর্তি ও ষড়যন্ত্রকে সরকার দক্ষ ব্যবস্থাপনা ও পরিচালনার মাধ্যমে প্রতিহত করতে সক্ষম হবে।’ এ বিষয়ে দলের নেতাকর্মীরা সব সময় সতর্ক থাকবেন বলেও জানান তিনি।
আরও পড়ুন:
রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘নেতাকর্মীরা ঘুমহীন প্রহরীর মতো প্রতিটি পূজামণ্ডপে স্বেচ্ছাসেবকের ভূমিকা পালন করবেন। এ বিষয়ে কী করণীয় এবং এরই মধ্যে কী কী পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে, তা নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়েছে।’
তিনি জানান, দুর্গাপূজা পর্যবেক্ষণে বিএনপি এরই মধ্যে একটি কমিটি গঠন করেছে। শুক্রবার (৯ অক্টোবর) খায়রুল কবির খোকন এবং ইমরান সালেহ প্রিন্সের নেতৃত্বে কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ বিষয়ে দলের পক্ষ থেকে আগেও বিভিন্ন নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। দুর্গাপূজার নিরাপত্তার বিষয়টি নিয়ে বিএনপি অত্যন্ত সচেতন এবং দলের নেতারা এ নিয়ে সজাগ রয়েছেন।
এছাড়া এ বৈঠকে দলের সাংগঠনিক বিষয় এবং ভবিষ্যতে সাংগঠনিক তৎপরতা কীভাবে আরও বাড়ানো যায়, তা নিয়েও নেতারা আলোচনা করেছেন বলেও জানান বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব।
বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আবদুল মঈন খান, সালাহউদ্দিন আহমদ, সেলিমা রহমান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, এ জেড এম জাহিদ হোসেন, আমান উল্লাহ আমান, ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার ও মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ।—বাসস




