ইউরেনিয়াম পরিবহনের নিরাপত্তায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি), পুলিশ ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন। পুরো পথে সম্ভাব্য ঝুঁকি এড়াতে বিশেষ নিরাপত্তাব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।
এর আগে, সকাল ৭টা ১৫ মিনিটে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে পাবনার ঈশ্বরদীতে নির্মাণাধীন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের উদ্দেশে ইউরেনিয়াম বহনকারী লরিবহর রওনা হয়। প্রথম ইউনিটের জন্য আনা পারমাণবিক জ্বালানি কয়েকটি বিশেষ লরিতে করে সড়কপথে প্রকল্প এলাকায় নেয়া হচ্ছে।
আরও পড়ুন:
এদিকে শুক্রবার (২ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১১টার দিকে পারমাণবিক জ্বালানিবাহী একটি বিশেষ উড়োজাহাজ ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। বিমানবন্দরের আনুষ্ঠানিকতা শেষে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (বিএইআরএ) দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা ইউরেনিয়ামের চালানটি গ্রহণ করেন।
সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানায়, পাবনার ঈশ্বরদীতে নির্মাণাধীন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য সাতটি এবং প্রথম ইউনিটের রিফুয়েলিংয়ের জন্য দুটিসহ মোট ৯টি কার্গোতে পারমাণবিক জ্বালানি দেশে আনা হবে। এদিকে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক শক্তি করপোরেশন (রসাটম) জানিয়েছে, ডিসেম্বরের মধ্যেই পুরো জ্বালানি সরবরাহ সম্পন্ন হবে।





