প্রতিবেদনে বলা হয়, এক অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে ফ্রিডরিখ মের্ৎস এ আশঙ্কার কথা জানান। ইউক্রেন যুদ্ধে প্রত্যাশিত সাফল্য না পেয়ে রাশিয়া হতাশ হয়ে পড়াতেই এসব তৎপরতা চালাচ্ছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
ইউরোপীয় বিভিন্ন দেশের অভিযোগ, মহাদেশজুড়ে নানা ধরনের নাশকতা, সাইবার হামলা ও অস্থিতিশীলতা তৈরির মতো অপতৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে মস্কো। গত আগস্টে জার্মানির লাইপজিগ বিমানবন্দরে ইউক্রেনীয় এক কার্গো বিমানের কাছে বিস্ফোরকভর্তি ড্রোনের উপস্থিতির পেছনে রাশিয়াকে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়ী করেছিল বার্লিন।
এদিকে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন হুঁশিয়ারি দিয়ে জানান, পোল্যান্ড ও লিথুয়ানিয়ার মাঝে অবস্থিত তাদের ভূখণ্ড কালিনিনগ্রাদ সরাসরি আক্রমণের শিকার হলে রাশিয়া নিজেদের সব অস্ত্র ব্যবহার করতে বাধ্য হবে।
পুতিনের এমন বক্তব্যের মুখে ন্যাটোর মহাসচিব মার্ক রুটে রাশিয়াকে পারমাণবিক হুমকি বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, এ ধরনের হুমকি সম্পূর্ণ অনাবশ্যক এবং অনাকাঙ্ক্ষিত। একই সঙ্গে ইউক্রেনে আক্রমণ বন্ধ করার জন্যও মস্কোর প্রতি তাগিদ দেন তিনি।





