বার্তা সংস্থা এএফপি ও রয়টার্সকে উদ্ধৃত করে দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানায়, গালিবাফ বলেন, ‘যে অঞ্চলে আমরা তেল বিক্রি করতে পারব না, সেখানে অন্য কেউ তেল বিক্রি করতে পারবে না। আমাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে আঞ্চলিক কোনো অবকাঠামো নিরাপদ থাকবে না।’
এদিকে জাতিসংঘের অধিবেশনে অংশগ্রহণ শেষে নিউ ইয়র্ক ছাড়ার আগে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি জানান, পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে তেহরান কোনো ধরনের আপস করেনি। মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে সাত দফার একটি প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে, যার আনুষ্ঠানিক জবাব আজ ওয়াশিংটন থেকে আসতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।
কাতারের মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে সাম্প্রতিক আলোচনার বিষয়ে আরাঘচি বলেন, ‘কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেয়ার বিষয়টি ইরানের বেঁধে দেয়া শর্তগুলো পূরণের ওপর নির্ভর করছে।’
সফরের শেষ দিনে জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের সঙ্গে বৈঠক করেন আব্বাস আরাঘচি। বৈঠকে তিনি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সামরিক হামলার তীব্র সমালোচনা করেন। জাতিসংঘ সনদের লঙ্ঘন ও অন্যায্য হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে নীরব না থেকে যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপের নিন্দা জানানোর আহ্বান জানান তিনি। একই সঙ্গে জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা রক্ষায় ইরানের দৃঢ় সংকল্পের কথা তুলে ধরেন তিনি।





