সাবেক প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ সরকারের পতনের পর দায়িত্ব নেয়া আহমেদ আল-শারা তার প্রায় ১০ মিনিটের সংক্ষিপ্ত ভাষণে জানান, গত এক বছরে সিরিয়া সংকট কাটিয়ে সম্ভাবনার দিকে মোড় নিয়েছে। বিশ্ব নেতাদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘এক বছর আগে আমি আপনাদের সামনে দাঁড়িয়ে বলেছিলাম সিরিয়া ফিরে এসেছে। আজ বলছি, সিরিয়া এগিয়ে যাচ্ছে।’
গৃহযুদ্ধ-পরবর্তী পুনর্গঠন, অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ, সামরিক ও বেসামরিক প্রতিষ্ঠান পুনর্গঠন, আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা থেকে বের হয়ে আসা, মাদক পাচার রোধ এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে তার সরকার সফল হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
সিরীয় ভূখণ্ডে ইসরাইলের অব্যাহত বিমান হামলা ও অনুপ্রবেশের কড়া সমালোচনা করে আল-শারা জানান, ইসরাইল তার দেশে ৫০০টির বেশি বিমান হামলা, ১ হাজার ২০০টির বেশি অনুপ্রবেশ এবং ৩০০ জনকে আটক করেছে, যা আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী।
ইসরাইলি আগ্রাসন প্রতিহত করার ঘোষণা দিয়ে তিনি স্পষ্ট জানান, আন্তর্জাতিক আইন ও নিরাপত্তা পরিষদের ৪৯৭ নম্বর প্রস্তাব অনুযায়ী গোলান মালভূমি সিরিয়ার ভূখণ্ড হিসেবেই থাকবে। ১৯৬৭ সালের যুদ্ধের পর থেকে দখল করে রাখা এলাকা থেকে ইসরাইলকে সেনা সরিয়ে নেওয়ার তাগিদ দেন তিনি।
সিরিয়ার পুনর্গঠন ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে আল-শারা দামেস্কে পুনরায় নিজেদের দূতাবাস চালু করা দেশ ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর প্রতি ধন্যবাদ জানান। এদিকে আল জাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জাতিসংঘে সিরিয়ার স্থায়ী প্রতিনিধি ইব্রাহিম ওলাবি বলেন, সাবেক সরকারের কূটনৈতিক বিচ্ছিন্নতা কাটিয়ে উঠতে গত বছর তারা নতুন সিরিয়ার রূপরেখা দিয়েছিলেন, আর এবার তারা বাস্তবে অর্জিত সফলতা ও অগ্রগতি বিশ্বমঞ্চে উপস্থাপন করতে পেরেছেন।





