প্রতিবেদনে বলা হয়, মোট ২ হাজার ১৯১টি ব্যাংক হিসাব ও ৩৯টি গাড়ি জব্দ করা হয়েছে। যাদের লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে, তারা শত্রুপক্ষ এবং ‘বিপ্লববিরোধী বাহিনীর’ সঙ্গে সহযোগিতা করেছেন বলে দাবি করেছে বিচার বিভাগ।
এর আগে সরকারবিরোধীদের অন্তত ১৪৩টি স্থাবর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল। ক্ষতিগ্রস্তদের সুনির্দিষ্ট নাম-পরিচয় প্রকাশ করা না হলেও বিদেশে অবস্থানরত যেসব সাংবাদিক প্রবাসি গণমাধ্যমে কাজ করছেন, তাদের পাশাপাশি অ্যাক্টিভিস্ট ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের সম্পত্তিও এই জব্দের আওতায় আনা হয়েছে।
বিদেশে অবস্থানরত কথিত সমালোচক ও শত্রুদের চিহ্নিত করতে সম্প্রতি ‘অ্যালাজ’ (নিরাময়) নামে একটি অনলাইন নজরদারি পোর্টাল চালুর খবর প্রকাশ করেছিল দেশটির গণমাধ্যম। বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে ইরানি সমাজে অভ্যন্তরীণ অবিশ্বাস বাড়তে থাকায় বিরোধী মত দমনে এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।





