আরাঘচি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র ও সায়োনিস্ট শাসনের আমাদের বিরুদ্ধে চাপিয়ে দেয়া কাপুরুষোচিত যুদ্ধ এবং পরবর্তী নানা ঘটনাক্রমের পর এ সফরটি এমন এক সময়ে হচ্ছে, যখন দৃশ্যত এক যুদ্ধাবস্থা বিরাজ করছে।’
ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ‘স্বাভাবিকভাবেই আমাদের মূল উদ্দেশ্য হলো আন্তর্জাতিক এ বড় প্ল্যাটফর্মটিকে কাজে লাগিয়ে ইরানের জনগণের বৈধতা, অধিকার ও স্বার্থ রক্ষা করা।’
বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষায় ব্যর্থতার কারণে জাতিসংঘের ওপর আস্থা এবং এর গ্রহণযোগ্যতা বিনষ্ট হয়েছে বলে উল্লেখ করেন আরাঘচি। ‘আস্থা পুনরুদ্ধার’ শীর্ষক প্রতিপাদ্য নিয়ে মঙ্গলবার জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশন শুরু হতে যাওয়ার বিষয়টি তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘এটি কার্যত এ সর্বজনীন সত্যেরই স্বীকৃতি যে, আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষায় চরম ব্যর্থতার কারণে জাতিসংঘের ওপর মানুষের যে আস্থা ছিল, তা ক্ষুণ্ণ হয়েছে বা পুরোপুরি লোপ পেয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘কিছু দেশ নিজেদের ইচ্ছামতো যা খুশি তা-ই করার অধিকার রয়েছে বলে মনে করে। তারা আন্তর্জাতিক সংস্থা, আন্তর্জাতিক আইন এবং এমনকি মানবজাতির বিবেককে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে নিজেদের ও মিত্রদের জবাবদিহিতার ঊর্ধ্বে দাবি করে।’
আরাঘচি যোগ করেন, ‘এরই ধারাবাহিকতায় আমরা দেখতে পাচ্ছি, সায়োনিস্ট শাসনের মতো এক অপরাধী গোষ্ঠীকে তাদের ইচ্ছা অনুযায়ী যেকোনো অপকর্ম করার ছাড় দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে পশ্চিম ও ইউরোপীয় দেশগুলো—যারা নিজেদের মানবাধিকার ও মানবিক আইনের রক্ষক দাবি করে—তারা নিশ্চুপ ভূমিকা পালন করছে।’





