বৈঠকের পর উভয় দেশ বাণিজ্য, জ্বালানি, সংকটপূর্ণ খনিজ পদার্থ এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) খাতে যৌথভাবে কাজ করার অঙ্গীকার প্রকাশ করে। পরমাণু শক্তি ব্যবহারের সমঝোতা ছাড়াও দুই দেশের মধ্যে অপরিশোধিত তেল, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি খাতসহ মোট ১৩টি দ্বিপক্ষীয় নথি সই হয়েছে।
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জায়ে মিয়ং বলেন, ‘ভবিষ্যৎ উচ্চপ্রযুক্তি শিল্পে কাজাখস্তানের বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে এবং দেশটি দক্ষিণ কোরিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার।’ বুধবার মধ্য এশিয়ার পাঁচটি দেশের নেতাদের নিয়ে আয়োজিত বহু পাক্ষিক শীর্ষ সম্মেলনেও সভাপতিত্ব করবেন তিনি।
এদিকে সিউলে আয়োজিত এক ব্যবসা ফোরামে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রধানমন্ত্রী হান সেয়ং-সুক বলেন, দুই দেশের বাণিজ্য কেবল অপরিশোধিত তেল ও ইউরেনিয়ামে সীমাবদ্ধ না রেখে লিথিয়ামসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ খনিজ খাতে ছড়িয়ে দেয়া প্রয়োজন। বিশ্বব্যাপী সরবরাহ শৃঙ্খলে অনিশ্চয়তা কাটাতে কাজাখস্তানের প্রাকৃতিক সম্পদ অনুসন্ধানে দক্ষিণ কোরিয়ার উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারের আহ্বান জানান তিনি।





