আজ (মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে আসামির উপস্থিতিতে ট্রাইব্যুনালের বিচারক ড. আব্দুল মজিদ এ রায় দেন। এছাড়াও আসামীকে ২ লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে ২ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়।
টাঙ্গাইলের শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে পিপি খন্দকার মো. রোকুনুজ্জামান জানান, ২০২৪ সালে ১৪ এপ্রিল ১৪ বছরের এক শিশু তার দাদিকে ডাকার জন্য পুকুর পাড়ে যায়। এসময় আসামি রশিদ মিয়া শিশুটিকে সঙ্গে নিয়ে নিজ বাড়িতে নিয়ে ধর্ষণ করে।
আরও পড়ুন:
পরে ভিকটিমের শারীরিক অবস্থা পরিবর্তন হলে তার পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি বুঝতে পারে। ধর্ষণের ঘটনায় শিশুটি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। পরে ২০২৪ সালের ২২ ডিসেম্বর ভিকটিম তার পিতার বাড়িতে কন্যা সন্তানের জন্ম দেয়। এ ঘটনায় ভিকটিম বাদী হয়ে ২০২৫ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করে।
পরে আদালত মির্জাপুর থানাকে মামলাটি এজহারের জন্য আদেশ দেন। দণ্ডিত আসামি রশীদ মিয়ার ডিএনএ পরীক্ষার রিপোর্টে ভিকটিমের কন্যা সন্তানের পিতা বলে নিশ্চিত হয়। পরে সকল সাক্ষ্য প্রমাণ শেষে বিচারক রায় ঘোষণা করেন।
আসামির পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন আইনজীবী একেএম শামীমুল আক্তার।




