পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে মুখপাত্র সাজ্জাদ হায়দার খান জানান, যৌথ প্রতিরক্ষার মাধ্যমে আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই এই সামরিক জোটের মূল উদ্দেশ্য। বর্তমানে তিন দেশের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা ও জোটের অভ্যন্তরীণ অবকাঠামো শক্তিশালী করার কাজ চলছে। এ কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত জোটের পরিধি বাড়ানোর কোনো সুযোগ নেই।
তিনি বলেন, ‘এই মুহূর্তে মক্কা চুক্তি সম্প্রসারণের কোনো আলোচনা নেই। পাকিস্তান, সৌদি আরব ও তুরস্ককে প্রথমে তাদের নিজেদের মধ্যে সহযোগিতা আরও সুসংহত করতে হবে।’ প্রাথমিক প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর সমভাবাপন্ন অন্য যেকোনো দেশের জন্য এই জোটে যোগ দেওয়ার সুযোগ খোলা থাকবে বলে জানান তিনি।
গত ৭ আগস্ট পাকিস্তান, সৌদি আরব ও তুরস্কের মধ্যে এই প্রতিরক্ষা চুক্তি সই হয়। এই সমঝোতার প্রধান শর্ত হলো, চুক্তিভুক্ত তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর আক্রমণ হলে তা জোটের ওপর হামলা হিসেবে গণ্য করা হবে। জোটের কার্যক্রম তদারক করতে সৌদি আরবে একটি স্থায়ী সচিবালয় গঠন করার সিদ্ধান্ত হয়েছে, যেখানে প্রথম তিন বছর একজন পাকিস্তানি কর্মকর্তা প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
সংবাদ ব্রিফিংয়ে ভারতের উত্তর প্রদেশে মসজিদ ভেঙে ফেলার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে পাকিস্তান। এ ঘটনাকে রাষ্ট্রীয় মদদে পরিচালিত ইসলামোফোবিয়া বা ধর্মীয় বিদ্বেষী প্রচারণার অংশ বলে অভিহিত করেন মুখপাত্র। একই সঙ্গে জাম্মু কাশ্মীর লিবারেশন ফ্রন্টের (জেকেএলএফ) কারাবন্দী নেতা মুহাম্মদ ইয়াসিন মালিকের বিরুদ্ধে নতুন মামলা দায়েরের প্রতিবাদ জানিয়ে ভারতের বিচার বিভাগের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে পাকিস্তান।





