আমদানি নিষেধাজ্ঞার আওতায় রয়েছে বিভিন্ন ধরনের ওয়াইন, রুম, ভদকা, দুগ্ধজাত উপাদান, অ্যালকোহলমুক্ত বিয়ার ও মোটরসাইকেল। এছাড়া অ্যালুমিনিয়াম, লোহা, পনির, মোটরবোট ও আসবাবপত্রসহ বেশ কিছু পণ্যে অতিরিক্ত আমদানি শুল্ক চাপানো হয়েছে। এর আগে ডেনমার্ক ও অন্যান্য দেশের সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েনের পর ঐতিহাসিক মিত্র কানাডার সঙ্গে দীর্ঘ সময় ধরে চলা বাণিজ্যযুদ্ধ নতুন মাত্রায় পৌঁছাল।
এর আগে ওয়াশিংটন প্রায় ২ হাজার কোটি ডলারের কানাডীয় পণ্যে ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছিল। জবাবে কানাডাও ইস্পাত, তৈরি পোশাক ও আসবাবপত্রসহ সমপরিমাণ মার্কিন পণ্যে পাল্টা শুল্ক আরোপ করে, যা আজ মঙ্গলবার মধ্যরাত থেকে কার্যকর হয়েছে।
কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি এক ভিডিও বার্তায় বলেন, সবচেয়ে বড় বাণিজ্য অংশীদার যুক্তরাষ্ট্র থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়ার একটি মূল্য রয়েছে। তবে নিশ্চুপ বসে থাকার চেয়ে পদক্ষেপ নেয়ার সময় এসে গেছে। অন্যদিকে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই নিষেধাজ্ঞার ফলে সীমান্তসংলগ্ন এলাকার ব্যবসা-বাণিজ্য ও অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে এবং দুদেশের পণ্যের দাম আরও বেড়ে যাবে।





