আবাহনী, বসুন্ধরা কিংসের ফিফার নিষেধাজ্ঞার জটিলতায়, নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী নতুন মৌসুম শুরু করতে পারেনি ফেডারেশন।
তবে একমাস পর হলেও ফুটবল মাঠে গড়ানোর অপেক্ষায় যখন বাফুফে, তখনই দেশের শীর্ষ ক্লাবগুলোর পক্ষ থেকে এলো বড় আপত্তির সুর। ১৮ সেপ্টেম্বরের পরিবর্তে ঘরোয়া লিগ নভেম্বরে নিয়ে যাওয়ার জন্য ফেডারেশনকে চিঠি দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে ক্লাবগুলো।
ক্লাবগুলোর আপত্তির মূল কারণ আন্তর্জাতিক সূচির ব্যস্ততা। ক্লাবগুলোর অধিকাংশ স্থানীয় খেলোয়াড় আসন্ন আসিয়ান কাপ এবং অক্টোবরে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের কারণে জাতীয় দলের লম্বা সময় ব্যস্ত সূচির পরিকল্পনায় থাকবে।
মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের ক্রীড়া পরিচালক মোস্তাকুর রহমান বলেন, ‘জাতীয় দলের খেলায় যদি আমাদের দলের খেলোয়াড়রা থাকে, তাহলে সেটা আমাদের জন্য দল গঠন করা বা খেলা খুবই কঠিন হয়ে যাবে। কঠিন হবে মানে, এটা সম্ভবই নয়।’
আরও পড়ুন:
ফেডারেশনের বেঁধে দেয়া সময়ে লিগ শুরু না করে তা দুই মাস পিছিয়ে নেয়ার দাবিতে একাট্টা ক্লাব কর্তারা। এই দাবিতে বাফুফেতে চিঠি দিয়েছে ক্লাবগুলো।
মোস্তাকুর রহমান বলেন, ‘ফুটবল ফেডারেশনের প্রেসিডেন্টকে কয়েকবার ফোন করেছি। আমি বলেছি যে, ক্লাবগুলোর সঙ্গে আপনার জরুরি ভিত্তিতে বসা দরকার। উনি আমাকে জানাবেন বলেছেন। আমি মেসেজ দিয়েছি, কিন্তু এখনও জানাননি।’
ফোনে যোগাযোগ করা হলে ঢাকা আবাহনির ম্যানেজার শহীদ হোসেন স্বপন বলেন, ‘একটা ক্যাম্প চালালে লাখ লাখ টাকা লাগে। বিদেশি খেলোয়াড় আছে, এখানে এক মাস আগে আনলে তাদের ২০-২৫ লাখ বা ৩০ লাখ টাকা বেতন দিতে হচ্ছে। এই জিনিসটা চিন্তা করে চাচ্ছি যে, আমাদের লিগটা একটানা হোক।’
এখন বল বাফুফের কোর্টে। ক্লাবগুলোর এই যৌথ আবেদনের পর বাফুফে তাদের পূর্বনির্ধারিত ১৮ সেপ্টেম্বরের সূচিতে অটল থাকে, নাকি ক্লাবগুলোর দাবি মেনে নিয়ে ঘরোয়া লিগ নভেম্বরে পিছিয়ে দেয়, সেটাই এখন দেখার অপেক্ষা।




