পশ্চিম কালিম্যানতানে বায়ুর মান সূচক (একিউআই) বিপজ্জনক ৭৫২-এ পৌঁছেছে। দৃশ্যমানতা নেমে এসেছে এক কিলোমিটারের নিচে। ভয়াবহ এই পরিস্থিতিতে সীমান্তসংলগ্ন সারাওয়াক রাজ্যের সেরিয়ান জেলায় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে মালয়েশিয়া। রাজধানী কুয়ালালামপুরও সুমাত্রার দাবানলের ধোঁয়ায় ঢাকা পড়েছে। সিঙ্গাপুরে ২০২৩ সালের পর প্রথমবারের মতো বায়ুদূষণ ‘স্বাস্থ্যঝুঁকিপূর্ণ’ মাত্রায় পৌঁছেছে।
সংকট তীব্র হওয়ার পেছনে প্রাকৃতিক জলবায়ুগত প্রভাব ‘এল নিনো’কে দায়ী করা হচ্ছে, যার কারণে অঞ্চলে তীব্র খরা দেখা দিয়েছে। ইন্দোনেশিয়ার বন মন্ত্রণালয়ের তথ্যানুযায়ী, চলতি বছর এ পর্যন্ত ২ লাখ ২ হাজার হেক্টরের বেশি বনাঞ্চল পুড়ে গেছে। দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, জুলাই ও আগস্টে শ্বাসকষ্টজনিত রোগে আক্রান্ত হয়েছে ৫০ হাজারের বেশি মানুষ, যার মধ্যে ১২ হাজারের বেশি শিশু। ধোঁয়ায় শ্বাসরোধ হয়ে কালিম্যানতানে অন্তত একটি ওরংওটাং মারা গেছে।
ইন্দোনেশিয়ার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা (বিএনপিবি) জানিয়েছে, তারা আগুন নিয়ন্ত্রণে বিমান থেকে পানি ফেলা ও কৃত্রিম বৃষ্টিপাতের মতো ব্যবস্থা নিচ্ছে। তবে গ্রিনপিসের বনাঞ্চলবিষয়ক কর্মকর্তা কিকি তৌফিক অভিযোগ করেছেন, আবহাওয়া দপ্তরের আগে থেকে দেয়া সতর্কতা উপেক্ষা করেছে ইন্দোনেশিয়া সরকার। পাশাপাশি প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলার বাজেট বিগত বছরের তুলনায় কমিয়ে আনাকে প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ান্তো সরকারের চরম অবহেলা হিসেবে উল্লেখ করেছেন তিনি।





