আজ (শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে হাসপাতাল পরিদর্শনে যান মন্ত্রী।
এসময় তিনি মন্তব্য করেন, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের মন্ত্রী-এমপিরা হাসপাতালের উন্নয়নে কাজ করেনি। তিনি বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন, ‘প্রায় তিন যুগ আগে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ১০০ শয্যা থেকে ২৫০ শয্যায় উন্নিত করেছিলেন। তার পরে আর কোনো কাজ হয়নি। খুব শিগগিরই হাসপাতাল ভবনের কাজ শুরু হবে।’
এসময় হাসপাতালের অব্যবস্থাপনা নিয়েও ক্ষোভ ঝাড়েন মন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘জামালপুর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল হলেও রোগী ভর্তি থাকে প্রায় নয়শো। এতে করে রোগীদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। মেডিকেল কলেজ হয়েছে, কিন্তু পাঁচশো শয্যার হাসপাতালের টেন্ডার হলেও কাজ শুরু হয়নি। কারণ, বিগত সরকারের প্রতিমন্ত্রী, এমপির নির্ধারিত ঠিকাদারকে কাজ পাইয়ে দিয়ে বিনিময় নিয়ে সমঝোতা হয়নি। সে কারনে হাসপাতালের ভবন নির্মাণ হয়নি। কত নিকৃষ্ট হলে এমন কাজ করতে পারে!’
এসময় মন্ত্রীর সঙ্গে আরও উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার ফারহানা ইয়াসমিন, সিভিল সার্জন ডা. আজিজুল হক ও হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. মাহফুজুর রহমান সোহানসহ অন্যান্যরা।





