আজ (মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট) দুপুরে ভাদ্রা গ্রাম থেকে মরদেহ উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেছে। শামিম ওই গ্রামের বিল্লাল মল্লিকের ছেলে ও বেসরকারি পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটের শেষ বর্ষের ছাত্র।
এ ঘটনায় মূল অভিযুক্ত ওই গ্রামের আব্দুল জব্বারের ছেলে অনিককে (২৮) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, গত ২১ আগস্ট বিকেলে শামীম বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হয়। নিখোঁজের দু’দিন পর ২৩ আগস্ট নিহতের বাবা বিল্লাল মল্লিক বাদী হয়ে নাগরপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। পরে পুলিশ সন্দেহভাজন অবস্থায় অভিযুক্ত অনিককে (২৮) আটক করেন। তার কাছ থেকে হত্যাকাণ্ডের স্বীকার কলেজ ছাত্র শামীমের মুঠোফোন উদ্ধার ও তার তথ্য মতে ঘটনা অনিকের বাড়ি পাশ থেকে মাটি খুড়ে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
আরও পড়ুন:
নিহতের বাবা বিল্লাল মল্লিক কান্না জড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘ঘাতক অনিক শামিমের মোবাইল থেকে আমার বাড়িতে ফোন করে দেড় লাখ টাকা ৩০ মিনিটের মধ্যে পাঠাতে বলে ফোন বন্ধ করে দেয়।’
তিনি হাউমাউ করে কেঁদে সন্তান হত্যার দৃষ্টান্তমূলক বিচার ও দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেন।
নাগরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জহুরুল ইসলাম বলেন, ‘এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে অনিক নামের একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে তার কাছ থেকে বেশ কিছু তথ্য পেয়েছে পুলিশ।’
এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের ব্যাপারে পুলিশি তদন্ত অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান তিনি।





