আজ (বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট) রাজধানীর মুক্তাঙ্গনে ১১-দলীয় ঐক্যের অবস্থান কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
সমাবেশে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘যারা জনগণের ওপর জুলুম করেছে, তারা জীবিত থাকা অবস্থায় বাংলাদেশে আর আস্ফালনের সুযোগ পাবে না।’ ১১ দফা দাবি দেশের ১৮ কোটি মানুষের অধিকার রক্ষার দাবি উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘জনগণের দাবি আদায় করেই মাঠ ছাড়বেন তারা।’
তিনি আরও বলেন, ‘গণভোটের রায় মেনে না নেয়া হলে ২০২৪ সালের মতো ২০২৬ সালেও নতুন বিপ্লব সংগঠিত হবে।’
আরও পড়ুন:
সমাবেশ থেকে ১১-দলীয় ঐক্যের পক্ষ থেকে ধারাবাহিক কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। আগামী ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত লংমার্চ, ১৯ সেপ্টেম্বর রংপুরে লংমার্চ, ২৪ অক্টোবর ঢাকা থেকে সিলেট পর্যন্ত রেলমার্চ এবং ১৪ নভেম্বর ঢাকায় মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।
এসময় জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘১১ দফা দাবি বাস্তবায়ন না হলে সরকারের জন্য পরিণতি ভালো হবে না।’
সমাবেশে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামও বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার যদি জনগণের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে ক্ষমতায় টিকে থাকার স্বপ্ন দেখা উচিত হবে না।’
বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকট ও দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে ১১-দলীয় জোটের নেতারা সরকারের প্রতি দ্রুত জনদুর্ভোগ নিরসনের আহ্বান জানান।




