ফুটবল বিশ্বের অপেক্ষার অবসান। বিশ্বকাপের মঞ্চে আবারও মুখোমুখি দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড।
দেড় দশকের স্মৃতি, আবেগ আর ইতিহাসকে সঙ্গে নিয়ে আটলান্টায় নামছে দুই ফুটবল পরাশক্তি। লক্ষ্য একটাই বিশ্বকাপের ফাইনালের টিকিট।
আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড দ্বৈরথ মানেই বাড়তি উত্তেজনা। ১৯৮৬ বিশ্বকাপে ম্যারাডোনার হ্যান্ড অব গড আর শতাব্দীর সেরা গোল আজও ফুটবলপ্রেমীদের স্মৃতিতে অমলিন। ১৯৯৮ বিশ্বকাপে বেকহ্যামের লাল কার্ডও যোগ করেছে এই প্রতিদ্বন্দ্বিতার নাটকীয় অধ্যায়।
তবে এবার গল্পের কেন্দ্রবিন্দু লিওনেল মেসি। আটবারের ব্যালন ডি'অর জয়ী এই মহাতারকার ক্যারিয়ারে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে এটাই হতে যাচ্ছে প্রথম ম্যাচ।
লিওনেল মেসি বলেন, ‘সব সময় বড় দলের বিপক্ষে খেলতে মুখে থাকি, ইংল্যান্ড একটি পরাশক্তি। তাদের বিপক্ষে আমি কখনো খেলিনি। তাদের বিপক্ষে ম্যাচ খেলা সবসময়ই বিশেষ কিছু।’
অন্যদিকে টমাস টুখেলের ইংল্যান্ডও প্রস্তুত নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণে। তরুণ প্রতিভা আর অভিজ্ঞতার মিশেলে তারাও চায় ফাইনালের মঞ্চে পৌঁছাতে। হ্যারি কেইন, জুড বেলিংহামরা আছেন দারুণ ছন্দে।
একদিকে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা, অন্যদিকে শিরোপার ক্ষুধায় থাকা ইংল্যান্ড। ইতিহাস, আবেগ আর স্বপ্ন সবকিছুর মিলন ঘটবে সেমিফাইনালের মহারণে।





