যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ থেকে উঠে আসা প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নে সরকার পরিকল্পনা নিয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় নির্বাচিত খেলোয়াড়দের বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি)-সহ দেশের বিভিন্ন ক্রীড়া প্রতিষ্ঠানে আধুনিক প্রশিক্ষণের সুযোগ দেয়া হবে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘জাতীয় পর্যায়ে নির্বাচিত সেরা খেলোয়াড়দের দীর্ঘমেয়াদি প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে, যাতে তারা ভবিষ্যতে পেশাদার অ্যাথলেট হিসেবে গড়ে উঠতে পারে। পাশাপাশি মেধাবী খেলোয়াড়দের বিকেএসপিতে ভর্তির সুযোগও তৈরি করা হবে।’
এবারের জাতীয় পর্বে আটটি ইভেন্টের খেলা অনুষ্ঠিত হবে ঢাকার বিভিন্ন ভেন্যুতে। ভেন্যুগুলো হলো—মিরপুর ইনডোর স্টেডিয়াম, মিরপুর সুইমিং পুল, শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম এবং আর্মি স্টেডিয়াম।
যদিও প্রতিযোগিতা শুরু হবে ১৮ জুলাই, আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হবে ২১ জুলাই মিরপুরের শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।
তৃণমূল পর্যায় থেকে প্রতিভাবান খেলোয়াড় খুঁজে বের করে আন্তর্জাতিক মানের অ্যাথলেট গড়ে তোলার লক্ষ্যেই ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ আয়োজন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।





