বিশ্বকাপে আরও একবার দেখা গেল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক প্রভাবের চিত্র। ইরান জাতীয় ফুটবল দলকে বিশ্বকাপের পুরোটা সময়েই ভুগতে হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বৈরী সম্পর্কের প্রভাবে। তবে, সেটি পুরোপুরিই রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত ছিল। ট্রাম্প এবারে ছাড়িয়ে গিয়েছেন সেই মাত্রাও। মাঠে রেফারির সিদ্ধান্ত বদল হলো ফিফার হস্তক্ষেপে। আর তাতে পুরো ইশারাই ছিল ডোনাল্ড ট্রাম্পের।
আগের ম্যাচে বসনিয়ার বিপক্ষে লালকার্ড দেখেছিলেন যুক্তরাষ্ট্র ফরোয়ার্ড বালোগান। যে কারণে মিস করতেন বেলজিয়ামেন ম্যাচ। কিন্তু ট্রাম্পের অনুরোধে সেই সিদ্ধান্ত বদলায় ফিফা। বিষয়টি ট্রাম্প নিজেও স্বীকার করেছেন অকপটেই। নিজেকে সাবেক ক্রীড়াবিদ উল্লেখ করে বালোগানের পক্ষে সাফাই গাইলেন ট্রাম্প।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ‘সিদ্ধান্ত কী নেয়া হয়েছে তার সঙ্গে আমার কোনো সম্পর্ক নেই। আমাকে যেটা করতে হয়েছে- আমি বলেছি, আমার মনে হয় এটা পুনর্বিবেচনা করা উচিত। কারণ আমি খেলা দেখেছি আর সে ভুল কিছু করেনি। দুজন খেলোয়াড় একে অন্যের দিকে ছুটে গিয়েছে। আর আপনি যদি খেলাটা ভালোভাবে দেখেন, এমন আরও ১০টা ঘটনা ছিলো যেখানে এরচেয়ে বেশি মাত্রার সংঘর্ষ হয়েছে।’
ট্রাম্পের সেই অনুরোধের পর সাড়া দিয়েছে ফিফাও। সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার কথা জানিয়ে বালোগানের লাল কার্ড প্রত্যাহার করা হয়। বিনিময়ে জরিমানা গুণতে হবে ৪ লাখ ডলার। ফিফার সিদ্ধান্তকে সাধুবাদও জানিয়েছেন ট্রাম্প।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ‘আমার মনে হয়, পুরো ঘটনা বিবেচনার পর তারা বলছিল এ ম্যাচটায় একটা বড় দাগ থেকে যাবে। আমরা জিতি কিংবা হারি, যাইই হোক না কেন, তোমার উচিত তাদের সেরা খেলোয়াড়কে মাঠে নামতে দেয়া । তাকে ছাড়াই যদি ওরা আমাদের হারিয়ে দেয়, তবে আমাকে বলতেই হবে এটা সাজানো ছিলো ঠিক যেমন ছিল ২০২০ এর নির্বাচন।’
অবশ্য এতকিছুর পরও বেলজিয়ামের বিপক্ষে মাঠে নেমে সুবিধা করতে পারেননি ফোলারিন বালোগান। রেড ডেভিলদের বিপক্ষে ৪-১ গোলে হেরে বিদায় নিতে হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রকে।





