আজ (রোববার, ৪ জুলাই) ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয় লোগো উন্মোচন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার কাজ দ্রুততম সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করতে সরকার সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। তবে শিক্ষার মান নিশ্চিত করার দায়িত্ব বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের। কোনোভাবেই এই বিশ্ববিদ্যালয় যেন গতানুগতিক একটি প্রতিষ্ঠান না হয়ে, এটা বিশ্বমান অর্জন করতে পারে এবং দরিদ্র অনুন্নত এই জনপদটি যেন শিক্ষা নগরের খ্যাতি অর্জন করতে পারে, সে বিষয়ে শিক্ষক নির্বাচনে মেধাকে গুরুত্ব দেয়াসহ সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলেই আমি বিশ্বাস করি।’
আরও পড়ুন:
ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড ইস্রাফীল শাহীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন ঠাকুরগাঁও-২ আসনের সংসদ সদস্য ডা. আব্দুস সালাম, ঠাকুরগাঁও-৩ আসনের সংসদ সদস্য জাহিদুর রহমান, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সদস্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আইয়ুব ইসলাম, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হক, পুলিশ সুপার বেলাল হোসেন এবং জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমিন।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সদস্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আইয়ুব ইসলাম বলেন, ‘একটা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা একটা বিরাট শ্রমসাধ্য এবং সময়সাপেক্ষ জটিল কর্মযজ্ঞ। সেরকম একটা বিরাট কাজে ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা এবং এবছরেই তার ভর্তি শুরুর কাজটি অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং। এপর্যন্ত মন্ত্রী মহোদয়ের (মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর) একান্ত প্রচেষ্টায় এ কাজটি দ্রুততার সঙ্গেই এগিয়ে চলেছে, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের জন্য একটা চমৎকার জায়গা নির্ধারণ হয়েছে এবং মাত্র দেড় মাসের মধ্যে প্রশংসনীয় তৎপরতায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এগিয়ে চলেছে।’
স্বাগত বক্তব্যে ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড ইস্রাফীল শাহীন বলেন, ‘এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে আমরা অশেষ কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি।’—বাসস




