২০২৫ সালকে নিজের ক্যারিয়ার আলাদাভাবে নিশ্চিতভাবেই মনে রাখতে চাইবেন হামজা চৌধুরী। বাংলাদেশ জাতীয় দলের হয়ে অভিষেক হয়েছে। নিজের জন্মভূমিতে পেয়েছেন অতুলনীয় ভালোবাসা। ক্লাব লেস্টার সিটি খুব বেশি ভালো না করলেও হামজা ছিলেন দুর্দান্ত। জায়গা পেয়েছিলেন ইংলিশ ফুটবলের বর্ষসেরা দক্ষিণ এশীয় বংশোদ্ভুত ফুটবলারদের তালিকায়।
তবে পয়েন্ট কর্তন, একাধিক ম্যানেজারের রদবদলে লেস্টার সিটি ছিলো বিধ্বস্ত। যার ফলাফল হিসেবে চ্যাম্পিয়নশিপ থেকে লিগ ওয়ানে নামতে হয়েছে তাদের। কিন্তু, হামজা ছিলেন ব্যতিক্রম। মৌসুমে মাত্র ১৭ ম্যাচ শুরুর একাদশে থাকলেও নিজের জাত চিনিয়েছেন পুরোটা সময়। সবমিলিয়ে খেলেছিলেন ৩০ ম্যাচ। তাতেই লেস্টারের কাণ্ডারি হয়ে ওঠেন হামজা। ৬০ শতাংশের বেশি ডুয়েল এবং এরিয়াল ডুয়েল জেতা কিংবা ৫৭ ক্লিয়ারেন্সের মতো রেকর্ড প্রমাণ করে হামজার কার্যকারিতা। সেইসঙ্গে একাধিকবার পেয়েছিলেন অধিনায়কের দায়িত্ব।
আরও পড়ুন
এবার তাই নতুন মৌসুমের আগে দলবদলের বাজারে হামজা হয়ে উঠলেন বাড়তি আকর্ষণ। লিগ মৌসুম শেষের পরেই শেফিল্ড ইউনাইটেডের রাডারে চলে আসেন তিনি। বাংলাদেশি তারকা এর আগে ২০২৪-২৫ মৌসুমে ধারে খেলেছেন দ্য ব্লেডসদের হয়ে। ম্যানেজার ক্রিস ওয়াইল্ডারের বিশেষ নজর আছে হামজার প্রতি। আর এবারে সেইসঙ্গে যুক্ত হয়েছে বার্মিংহ্যাম সিটি। দলবদল গুঞ্জনের বিভিন্ন ওয়েবসাইটের তথ্য বলছে, হামজাকে পেতে মরিয়া ইংলিশ তারকা জ্যুড বেলিংহামের সাবেক ক্লাবটি। বার্মিংহ্যাম এবং শেফিল্ড দুই দলই বর্তমানে চ্যাম্পিয়নশিপ লিগের অংশ। লেস্টারের চেয়ে ওপরের লিগে খেলার সুযোগ আছে দলবদলের পর।
অবশ্য ঘরের ছেলেকে ছাড়তে নারাজ লেস্টার। গত মৌসুমে খণ্ডকালীন দায়িত্বের পর এবার পাকাপাকিভাবে লেস্টারের আর্মব্যান্ড হামজার হাতে উঠতে পারে। নিজেদের ভবিষ্যত অধিনায়ককে ধরে রাখতে তাই জোর চেষ্টাই চালাচ্ছে দ্য ফক্সেস। শেষ পর্যন্ত হামজা চৌধুরী কোন ক্লাবের হয়ে খেলবেন, সেটাও এখন দলবদলের বাজারে আলোচনার বিষয়।




