তিনি বলেন, ‘হাওর ও নদীর জলাশয় ব্যবস্থাপনায়— জাল যার, জলা তার এ নীতি কিন্তু আমাদের রয়েছে। প্রকৃত জেলেদের অধিকার নিশ্চিত করে দেশের হাওর ও নদী ব্যবস্থাপনা পরিচালিত হবে। সরকার দেশিয় মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং জেলেদের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের আদর্শের জনক স্বাধীনতার মহান ঘোষক শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান খাল খনন কর্মসূচি উনি শুরু করেছিলেন। তারই যোগ্য উত্তরসূরী তারেক রহমান এরই মধ্যেই খাল খনন এবং নদী খনন এবং জলাশয়কে কিভাবে ঠিক রাখা যায় সে ব্যাপারে এরই মধ্যেই পদক্ষেপ নেওয়া শুরু করেছেন এবং উদ্বোধনও করেছেন। এরই মধ্যে অনেকগুলি খাল এবং নদী খনন করেছি আমরা। কাজেই এই নদীর নাব্যতা যাতে না কমে যায় এবং জলাবদ্ধতা যাতে মানুষ দুর্ভোগে না পড়ে, জলাশয়গুলোতে যাতে মৎস্য চাষ করতে পারে সে ব্যাপারে আমরা এরই মধ্যেই পদক্ষেপ নিয়েছি।’
এর আগে মদন উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত এক জনসমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সড়ক ও রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ও স্থানীয় সংসদ সদস্য লুৎফুজ্জামান বাবর।
সমাবেশে বক্তারা হাওরাঞ্চলের মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং জেলে-কৃষকদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন। তারা জানান, হাওরাঞ্চলের উন্নয়ন ও মানুষের জীবনমান উন্নয়নে সরকার ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
পরে মদন, মোহনগঞ্জ ও খালিয়াজুরী উপজেলার হাওরাঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে কৃষক ও জেলেদের নিয়ে পৃথক সমাবেশে অংশ নেন অতিথিরা। এ সময় তারা স্থানীয়দের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং হাওরের সমস্যা, সম্ভাবনা ও উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেন।





