গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন— টঙ্গীর পাগার এলাকার সিদ্দিকুর রহমানের ছেলে মো. মানোয়ার হোসেন (২৮), একই এলাকার মৃত কাজী আবু ফজলের ছেলে কাজী তৌহিদুল ইসলাম সজিব (৩৫) ও আমতলী কেরানীরটেক এলাকার মৃত বাবুল খার ছেলে রনি খা (৩৯)।
পুলিশ জানায়, গত ২৮ জুন টঙ্গীর পাগার আলেরটেক এলাকায় ফাইজা বাটন অ্যান্ড জিপার লিমিটেড কারখানার ঝুট দখল করতে শতাধিক মোটরসাইকেলের মধ্যে অস্ত্রের মহড়া দেয় একদল দুর্বৃত্ত। মহড়াকালীন সময়ে কারখানাটির উপস্থিত ছিলেন বিদেশি কয়েকজন ক্রেতা (বায়ার)।
এ ঘটনার পর তদন্ত করে মোটরসাইকেল মহড়ায় অংশগ্রহণকারী তিনজনকে সিসিটিভি ফুটেজ দেখে শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করা হয়। অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারেও বিভিন্ন স্থানে অভিযান চলছে।
আরও পড়ুন:
জানা যায়, ২৮ জুন বেলা ১১টা ৫৭ মিনিটে টঙ্গী শিল্পাঞ্চলের পাগার এলাকায় ফাইজা বাটন অ্যান্ড জিপার লিমিটেডে কয়েকশত মোটরসাইকেল মহড়া দিয়ে কারখানার সামনে অবস্থান নেয়। এরপর ৮/১০ জনের একটি প্রতিনিধি দল ভেতরে গিয়ে নিজেদেরকে ‘সিটি প্রশাসকের লোক’ দাবি করে কারখানার এডমিন অফিসার আল আমিনকে তাদের অনুমতি ছাড়া ঝুট না দেয়ার নির্দেশ দিয়ে চলে যায়।
এসময় কারখানার ভেতরে বায়ার ছিল। মহড়াকালীন শোডাউনের ভিডিও প্রকাশের পর সিসিটিভি ফুটেজ ও ছবি গণমাধ্যমে প্রচারিত ও প্রকাশিত হয়। ভাইরাল ভিডিও ও ছবিতে জনৈক কিশোরকে মুখোশপড়া চালকের একটি মোটরসাইকেলের পিছনে বসে দেশিয় ধারালো অস্ত্র প্রদর্শন করতে দেখা যায়। এই তিনজন গ্রেপ্তারের পর পুলিশ অস্ত্র প্রদর্শনকারী কিশোরসহ অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারের অভিযান অব্যাহত রেখেছে।
আরও পড়ুন:
গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম এন্ড অপস) মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন বলেন, ‘পুলিশ কমিশনারের তত্ত্বাবধানে ওই মহড়ায় অংশগ্রহণকারী ও গডফাদারদের আইনের আওতায় আনতে অভিযান শুরু করা হয়েছে। গতরাতে (মঙ্গলবার) মহড়ায় অংশগ্রহণকারী তিনজনকে গ্রেপ্তার ও মহড়ায় ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়েছে। বাকিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে।’





