প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের বিস্তারিত প্রকাশ না করলেও জানিয়েছে, এই উন্নয়নের ফলে ইসরাইলের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আগের চেয়ে অনেক বেশি নির্ভুল ও কার্যকর হবে। বিশেষ করে যখন একসঙ্গে অনেক বেশি সংখ্যক রকেট বা ড্রোন ছোড়া হবে, তখন আয়রন ডোমের কমান্ড সেন্টার থেকেই পরিস্থিতি বুঝে কখনো ক্ষেপণাস্ত্র আবার কখনো লেজার ব্যবহার করা যাবে। এর ফলে একদিকে যেমন প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়বে, অন্যদিকে খরচও অনেক কমে আসবে।
বর্তমানে একটি ‘তামির’ ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়তে ইসরাইলের প্রায় ৫০ হাজার ডলার খরচ হয়। সেখানে আয়রন বিমের একটি লেজার পালস বা রশ্মি ছুড়তে খরচ হবে মাত্র কয়েক ডলার। এই লেজার ব্যবস্থা লক্ষ্যবস্তু শনাক্ত করার ৪ থেকে ৫ সেকেন্ডের মধ্যেই সেটিকে ধ্বংস করতে সক্ষম। লেজার প্রযুক্তির এই ব্যবহার ভবিষ্যতে ইসরাইলের প্রতিরক্ষা কৌশলে বড় ধরনের পরিবর্তন আনবে বলে মনে করা হচ্ছে।
২০১১ সালে কার্যক্রম শুরু করা আয়রন ডোম বর্তমানে ইসরাইলের আকাশ প্রতিরক্ষার মূল ভিত্তি। এটি মূলত ৪ থেকে ৭০ কিলোমিটার পাল্লার রকেট প্রতিহত করতে ব্যবহৃত হয়। অন্যদিকে লেজারভিত্তিক আয়রন বিম ১০ কিলোমিটার পাল্লার লক্ষ্যবস্তু নিখুঁতভাবে ধ্বংস করতে পারে। হিজবুল্লাহর ড্রোন হামলা ও মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনার মধ্যেই ইসরাইলি প্রতিষ্ঠান রাফায়েল অ্যাডভান্সড ডিফেন্স সিস্টেমস এই দুই প্রযুক্তির সফল সমন্বয় ঘটালো।





