জেনারেল সিরস্কি বলেন, ‘সবচেয়ে সম্ভাব্য দৃশ্যপট হলো রাশিয়ার ব্রায়ানস্ক অঞ্চল থেকে উত্তর দিকে নতুন করে আক্রমণাত্মক অভিযান শুরু হওয়া। আমরা এই বাস্তবসম্মত আশঙ্কার কথা মাথায় রেখেই প্রস্তুতি নিচ্ছি।’ তবে তার মতে, ২০২২ সালের শুরুর দিকের মতো এবার কিয়েভ দখলের উদ্দেশ্যে কোনো অভিযান হওয়ার সম্ভাবনা কম। বরং রাশিয়ার লক্ষ্য হতে পারে ইউক্রেনের চেরনিহিভ অঞ্চলের কিছু এলাকা দখল করা এবং সম্মুখসমরে লিপ্ত ইউক্রেনীয় বাহিনীকে বিভিন্ন ফ্রন্টে ব্যস্ত রাখা। একে তিনি ‘ফ্রন্ট লাইন টেনে লম্বা করা এবং রিজার্ভ বাহিনীকে ব্যস্ত রাখার’ কৌশল হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
বেলারুশের পক্ষ থেকে নতুন কোনো হামলার সম্ভাবনা উড়িয়ে দিয়েছেন সিরস্কি। তিনি বলেন, ‘সাম্প্রতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় আমার মনে হয় না বেলারুশ নেতৃত্ব তাদের ভূখণ্ড পুনরায় আগ্রাসনকারীদের ব্যবহারের সুযোগ দেবে। তবে আমরা এই সম্ভাবনাকেও পুরোপুরি নাকচ করে দিচ্ছি না।’ প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই বেলারুশকে রাশিয়ার যুদ্ধে সরাসরি অংশ না নেয়ার বিষয়ে সতর্ক করে আসছেন।
সাক্ষাৎকারে সিরস্কি আরও জানান, ফ্রন্টলাইনে রুশ সেনাদের মধ্যে ক্লান্তি ভাব দেখা যাচ্ছে এবং যুদ্ধের তীব্রতা কিছুটা কমেছে। তিনি দাবি করেন, সম্মুখসমরে রাশিয়ার তৎপরতা প্রায় ৩০ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। অন্যদিকে ইউক্রেনীয় বাহিনী রাশিয়ার অভ্যন্তরে বিশেষ করে তেল শিল্প ও কৌশলগত লক্ষ্যবস্তুগুলোতে দূরপাল্লার ড্রোন হামলা অব্যাহত রেখেছে। কিয়েভের এই পাল্টা কৌশলের ফলে রাশিয়ার যুদ্ধ করার সক্ষমতা ক্রমশ দুর্বল হয়ে পড়ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।





