ইরানের আইন ও আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম ঘারিবাবাদি গতকাল (সোমবার, ২৯ জুন) এক সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে জানান, ইসলামাবাদে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী এই কৌশলগত জলপথে মাইন অপসারণের কাজ ‘একচেটিয়াভাবে ইরান’ পরিচালনা করবে। অন্য কোনো দেশের এ কাজে যুক্ত হওয়ার সুযোগ নেই। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, ‘বিদেশি কোনো পক্ষ বা সমান্তরাল কোনো ব্যবস্থাকে মাইন অপসারণ অভিযানে অনুমতি দেয়া হবে না।’ ঘারিবাবাদি আরও বলেন, ‘আমরা ফ্রান্সকে দৃঢ়ভাবে পরামর্শ দিচ্ছি যাতে তারা তাদের উসকানি দিয়ে পরিস্থিতি আর জটিল না করে।’
এর আগে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ এক্স-এ (সাবেক টুইটার) জানিয়েছিলেন যে, সমুদ্রপথ নিরাপদ করতে এবং শর্তহীন জাহাজ চলাচল নিশ্চিত করতে ফ্রান্স ও ওমান যৌথভাবে হরমুজ প্রণালিতে মাইন অপসারণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ওমানের সুলতান হাইথাম বিন তারিকের প্রথম প্যারিস সফরের সময় ম্যাক্রোঁ এই ঘোষণা দেন।
ইরান বারবার দাবি করে আসছে যে, হরমুজ প্রণালিতে নৌ-ব্যবস্থাপনা ও মাইন অপসারণের বিষয়টি ইসলামাবাদ সমঝোতার ৫ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী পরিচালিত হবে এবং উপকূলীয় দেশ হিসেবে এটি ইরানের সমন্বয়ে থাকবে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া উত্তেজনা এবং ১৮ জুন কার্যকর হওয়া ইরান-মার্কিন সমঝোতা স্মারকের পর থেকে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই জ্বালানি রুটটি নিয়ে টানাপোড়েন চলছে।





