ডাম্পিং স্টেশনে জায়গা না থাকায় সড়কের পাশে স্তূপ করে রাখা হয় পৌরবর্জ্য। এতে পথচারীদের যেমন ভোগান্তি বাড়ে, তেমনি হুমকিতে পরিবেশ ও জীব-বৈচিত্র। মূলত ডাম্পিং সক্ষমতার চেয়ে বেশি বর্জ্য উৎপাদিত হওয়ায়- এমন দুরাবস্থা বর্জ্য ব্যবস্থাপনার।
শহরের ছয়বাড়িয়ায় ১ দশমিক ৩ একর জায়গায় অবস্থিত পৌরসভার ডাম্পিং স্টেশনটিতে নেই রিসাইকেলের ব্যবস্থা। ফলে অন্যসব বর্জ্যের সঙ্গেই ডাম্পিং করা হয় প্লাস্টিক ও মেডিকেল বর্জ্য। এতে মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকিতে আছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। পাশাপাশি হুমকিতে পরিবেশ ও জীব-বৈচিত্র। এছাড়া সড়কের পাশে বর্জ্যস্তূপের কারণে ভোগান্তি বাড়ছে পথচারীদের।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পথচারীরা জানান, রাস্তা দিয়ে চলাচল করার উপযুক্ত এখন আর নেই। আর এ বর্জব্যবস্থার কারণে ফুসফুসজনিত রোগের শঙ্কা বাড়ছে বলেন তারা।
এদিকে, বর্জ্য থেকে সার ও ডিজেল উৎপাদনে ২ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত প্ল্যান্টও কাজে আসছে না। প্ল্যান্ট উদ্বোধনের পর একদিনও সার উৎপাদন করা যায়নি। এছাড়া চাহিদা কম থাকায় ডিজেল উৎপাদনও অনিয়মিত।
তবে জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশের ক্ষতির বিষয়টি স্বীকার করে ভোগান্তি নিরসনে সড়ক থেকে বর্জ্যস্তূপ সরানোসহ নানা পদক্ষেপ গ্রহণের কথা জানিয়েছেন পৌর প্রশাসক।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার প্রশাসক মো. শরিফুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা এরই মধ্যে আরেকটা কার্যক্রম আমরা হাতে নিয়েছি, যা মেইন রাস্তা থেকে ১০-১৫ ফিট দূরে একটা বাউন্ডারি ওয়াল আমরা দিয়ে দিব একটু উঁচু করে। ১০-১৫ ফিট উঁচু করে একটা বাউন্ডারি ওয়াল দিব, যাতে রাস্তা থেকে এই বর্জ্যটা আর জনগণ না দেখতে পারে।’
১৮ দশমিক ৫ বর্গকিলোমিটার আয়তনের ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভায় প্রায় ৩ লাখ মানুষের বসবাস। আর প্রতিদিন প্রায় দেড়শ টন বর্জ্য উৎপাদন হয় পৌরশহরে।





