বাণিজ্যিক এলপিজির ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নিলো ভারত

এলপিজি
এলপিজি | ছবি: সংগৃহীত
0

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের সময় জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন ঘটায় বাণিজ্যিক তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) সরবরাহে যে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছিল, তা প্রত্যাহার করেছে ভারত।

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তির অংশ হিসেবে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্ত হওয়ার পর ওই নৌপথ দিয়ে জ্বালানিবাহী কার্গো চলাচল বেড়েছে। এর পরই ভারত এ সিদ্ধান্ত নিলো।

নয়াদিল্লি থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।

ভারতের পেট্রোলিয়াম মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, গতকাল (বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন) গভীর রাতে ‘অ-গৃহস্থালি প্যাকেটজাত এলপিজি’র ওপর আরোপিত বিধিনিষেধ তুলে নেয়া হয়েছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, সংকটের শুরুতে স্থগিত করা বাল্ক এলপিজি সরবরাহও শিথিল করা হয়েছে। সংকট-পূর্ব ভোগের মাত্রার ৫০ শতাংশ পর্যন্ত সরবরাহ পুনরায় চালু করা হয়েছে।

এতে বলা হয়, এলপিজি সরবরাহ পরিস্থিতির সাম্প্রতিক উন্নতির পরিপ্রেক্ষিতেই এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দেশ ভারত এলপিজির দ্বিতীয় বৃহত্তম আমদানিকারক। এর বড় একটি অংশ আসে মধ্যপ্রাচ্য থেকে। বৈশ্বিক তেল ও গ্যাস পরিবহনের প্রায় পাঁচ ভাগের এক ভাগ সাধারণত হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাতায়াত করে। ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর এ নৌপথ বন্ধ হয়ে যায়। উপসাগরীয় নৌপথে সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় ভারতের অর্থনীতির ওপর চাপ তৈরি হয়। এতে দেশটির প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাসও অনিশ্চয়তার মুখে পড়ে।

দেশটির লাখো পরিবারের রান্নার প্রধান জ্বালানি হলো এলপিজি। সংকট চলাকালে সরকার এলপিজির দাম বাড়ায়।

গত মাসে যুদ্ধের কারণে জ্বালানি সরবরাহের ওপর সৃষ্ট চাপ মোকাবিলায় অপেক্ষাকৃত পরিচ্ছন্ন প্রযুক্তিতে কয়লা ব্যবহারের লক্ষ্যে কয়লা গ্যাসিফিকেশন সম্প্রসারণে প্রায় ৪০০ কোটি ডলারের একটি পরিকল্পনাও অনুমোদন দেয় ভারত।—বাসস

জেআর