ইমিগ্রেশন বিভাগ জানায়, বন্দিদের কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের (কেএলআইএ-১ ও কেএলআইএ-২), সেনাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং সুলতান ইস্কান্দার ভবন আইসিকিউএস কমপ্লেক্সের মাধ্যমে নিজ নিজ দেশে পাঠানো হয়েছে।
প্রত্যাবাসনের বিমান টিকিটের ব্যয় বন্দিদের ব্যক্তিগত সঞ্চয়, তাদের পরিবারের আর্থিক সহায়তা এবং বিশেষ কিছু ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দূতাবাস বহন করেছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এসব বিদেশি নাগরিক মালয়েশিয়ার বিভিন্ন আইনের আওতায় সাজা ভোগ শেষে দেশে ফেরত গেছেন। এর মধ্যে রয়েছে দণ্ডবিধি (অ্যাক্ট ৫৭৪), বিপজ্জনক মাদকদ্রব্য আইন ১৯৫২ (অ্যাক্ট ২৩৪), ইমিগ্রেশন আইন ১৯৫৯/৬৩ (অ্যাক্ট ১৫৫), ইমিগ্রেশন বিধিমালা ১৯৬৩ এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট আইনে দণ্ডিত ব্যক্তিরা।
ইমিগ্রেশন বিভাগ জানিয়েছে, প্রত্যাবাসিত সব বিদেশিকে বিভাগীয় কালো তালিকাভুক্ত (ব্ল্যাকলিস্ট) করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তারা কোনো উদ্দেশ্যেই মালয়েশিয়ায় পুনরায় প্রবেশ করতে পারবেন না।
এদিকে, আটক বিদেশিদের প্রত্যাবাসন সংক্রান্ত টিকিট ক্রয় ও অন্যান্য সেবা পেকান নেনাস ইমিগ্রেশন ডিপোর নির্ধারিত সেবা কাউন্টার থেকে সম্পন্ন করা যায় এবং এক্ষেত্রে কোনো ধরনের ‘সার্ভিস চার্জ’ প্রযোজ্য নয়।
প্রয়োজনে সংশ্লিষ্টরা ডিপোর রেকর্ডস অ্যান্ড ট্রান্সফার ইউনিটের সঙ্গে ০৭-৬৯৯৩৫৪০ নম্বরে যোগাযোগ করতে পারবেন অথবা অনলাইন অনুসন্ধান ব্যবস্থার মাধ্যমে তথ্য নিতে পারবেন।





