ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় ক্রিমিয়ায় তীব্র জ্বালানি সংকট

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ চলাকালে ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় একটি তেল শোধনাগারে আগুন লাগার পর ধোঁয়া উড়ছে
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ চলাকালে ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় একটি তেল শোধনাগারে আগুন লাগার পর ধোঁয়া উড়ছে | ছবি: সংগৃহীত
0

রাশিয়ার কৃষ্ণসাগরীয় নৌবহরের সদর দপ্তর ক্রিমিয়ায় ইউক্রেনের ড্রোন হামলা জোরদার হওয়ায় উপদ্বীপটিতে তীব্র জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে। গ্রীষ্মকালীন পর্যটন মৌসুম শুরুর মুখেই সরবরাহ ব্যবস্থা লক্ষ্য করে ইউক্রেনের এই হামলায় বিপাকে পড়েছে রুশ কর্তৃপক্ষ। আল জাজিরার প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

স্থানীয় বিদ্যুৎ গ্রিড পরিচালনাকারী সংস্থা জানিয়েছে, বিদ্যুৎ নেটওয়ার্ক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বেশ কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ বিভ্রাট দেখা দিয়েছে। মস্কো নিযুক্ত সেভাস্তোপলের গভর্নর মিখাইল রাজভোজায়েভ টেলিগ্রামে জানিয়েছেন, জ্বালানি সরবরাহে বিলম্ব হচ্ছে। এর ফলে সাধারণ গাড়িচালকদের জন্য রোববার যে পেট্রল বরাদ্দের কথা ছিল, তা বাতিল করা হয়েছে। বর্তমানে জ্বালানি কেবল জরুরি ও দাপ্তরিক কাজের জন্য সংরক্ষিত রাখা হচ্ছে।

ক্রিমিয়ার পর্যটন খাতের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা আশঙ্কা করছেন, এই সংকটের কারণে লাখ লাখ রুশ পর্যটক এবার উপদ্বীপটি থেকে মুখ ফিরিয়ে নিতে পারেন। রাশিয়ার পর্যটকদের কাছে ক্রিমিয়া অত্যন্ত জনপ্রিয় গন্তব্য হওয়া সত্ত্বেও চলমান পরিস্থিতির কারণে পর্যটন ব্যবসায় ধস নামার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

২০১৪ সালের মার্চে একটি বিতর্কিত গণভোটের মাধ্যমে ক্রিমিয়া দখল ও নিজেদের সঙ্গে যুক্ত করে নেয় রাশিয়া, যা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত নয়। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে পূর্ণমাত্রায় আগ্রাসন শুরুর পর থেকে এই উপদ্বীপটিকে হামলার ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহার করে আসছে মস্কো।

এএম