ইরানের পক্ষ থেকে স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি গতকাল (শনিবার, ২০ জুন) রাতেই সেখানে পৌঁছেছেন। এই আলোচনায় মধ্যস্থতাকারী হিসেবে উপস্থিত থাকবেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এবং দেশটির সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির। পাকিস্তান সরকার জানিয়েছে, তারা ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে হওয়া সমঝোতা বাস্তবায়নে সমর্থন অব্যাহত রাখবে।
আলোচনার আগে জেডি ভ্যান্স বলেন, তিনি পরমাণু বিষয় এবং লেবাননে যুদ্ধবিরতির ক্ষেত্রে অগ্রগতি আশা করছেন। ইসরাইল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে চলমান সংঘর্ষের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘পরিস্থিতি আসলে উন্নতির দিকে যাচ্ছে এবং সংঘাতের গতি কিছুটা কমেছে।’ অন্যদিকে, ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেছেন, তারা প্রতিপক্ষকে তাদের প্রতিশ্রুতি পূরণের জন্য চাপ দেবেন।
এর আগে গত সপ্তাহে যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রেসিডেন্ট একটি প্রাথমিক সমঝোতা সই করেছিলেন। যেখানে পরবর্তী ৬০ দিনের মধ্যে একটি চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছানোর অঙ্গীকার করা হয়েছে। তবে লেবাননে ইসরাইলি হামলা অব্যাহত থাকায় পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠেছে। লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, শনিবার ইসরাইলি হামলায় অন্তত ৪৭ জন নিহত হয়েছেন। হিজবুল্লাহর দাবি, ইসরাইল এসব হামলার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি ‘সাবোটাজ’ বা ভন্ডুল করার চেষ্টা করছে।
ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) অভিযোগ করেছে, লেবাননে হামলা চালিয়ে যুদ্ধবিরতির শর্ত লঙ্ঘন করা হয়েছে। এই যুক্তিতে তারা হরমুজ প্রণালি বন্ধের ঘোষণা দেয়। তবে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এই দাবি প্রত্যাখ্যান করে জানিয়েছে, সেখানে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে এবং শনিবারও অন্তত ৫৫টি বাণিজ্যিক জাহাজ ওই পথ অতিক্রম করেছে। সেন্টকমের মুখপাত্র টিম হকিন্স স্পষ্ট করে বলেন, ‘হরমুজ প্রণালি ইরানের নিয়ন্ত্রণে নেই।’





