নিহতরা হলেন— আদিত্যপুর গ্রামের মৃত ফিরোজ মিয়ার ছেলে সেলু মিয়া (৫৩) এবং গাবরু মিয়ার ছেলে হেলাল মিয়া (৩৭)।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দুই গ্রামের মধ্যবর্তী কবরস্থানের পাশের চলাচলের রাস্তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিলো।
এর জেরে গতকাল (সোমবার, ১৫ জুন) দুপুর ১টার দিকে আদিত্যপুর গ্রামের মিলন ও নাসিরের সঙ্গে আব্দাফৌজদা গ্রামের আব্দুল হাই ও শালু মিয়ার বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের লোকজন দেশিয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে সন্ধ্যায় ডুবাঐ বাজার এলাকায় আবারও দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এ সময় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ৫০ জন আহত হন।
গুরুতর আহত সেলু মিয়াকে বাহুবল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
আরও পড়ুন:
অপরদিকে আহত হেলাল মিয়াকে প্রথমে হবিগঞ্জ জেলা সদর আধুনিক হাসপাতালে এবং পরে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে রাত ১১টার দিকে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। আহতররা বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. পারভেজ মোশারফ হোসেন বলেন, সংঘর্ষে দু’জনের মৃত্যু হয়েছে। সেলু মিয়া বিকেলে এবং হেলাল মিয়া রাতে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যান।
বাহুবল মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকলেও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।’
ঘটনার পর এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। সম্ভাব্য অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।




