বৈঠকে ফারুক এস. আদাতিয়া নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির নব উদ্যাম ও গতিশীলতার প্রশংসা করেন।
তিনি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের পরবর্তী সভাপতি হিসেবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান নির্বাচিত হওয়ায় এবং এর আগে ইউনেস্কোর সাধারণ সম্মেলনের সভাপতি হিসেবে বাংলাদেশ নির্বাচিত হওয়ায় উষ্ণ অভিনন্দন জানান।
আদাতিয়া বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে এ কে ডি এন-এর অংশীদারত্ব আরও জোরদারের আগ্রহের কথা তুলে ধরেন, যা দুই পক্ষের দীর্ঘদিনের সুসম্পর্ক ও সৌহার্দ্যের ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত।
এ প্রসঙ্গে তিনি শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, অবকাঠামো ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে নতুন সরকারের নির্ধারিত অগ্রাধিকারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বেসরকারি খাতের বিনিয়োগ ও অর্থায়নের সুযোগ অনুসন্ধানে এ কে ডি এন-এর আগ্রহের কথা উল্লেখ করেন।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশে আগা খান নেটওয়ার্ক ও সংশ্লিষ্ট সম্প্রদায়ের গুরুত্বপূর্ণ অবদানের প্রশংসা করেন।
আরও পড়ুন:
তিনি বাংলাদেশের নতুন, অগ্রগামী ও ভবিষ্যতমুখী পররাষ্ট্রনীতির বিভিন্ন দিক তুলে ধরে বিশেষ করে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে বাজেট অগ্রাধিকারের আলোকে এ কে ডি এন-এর সম্ভাব্য সহযোগিতার ক্ষেত্রসমূহ উল্লেখ করেন।
তিনি বিশেষত মেয়েদের শিক্ষা ও নারীর ক্ষমতায়নকে কেন্দ্র করে এ কে ডি এন-এর সঙ্গে অংশীদারত্ব আরও সম্প্রসারণে সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
প্রতিমন্ত্রী গ্রামীণ নারীদের অংশগ্রহণ ও সম্ভাবনাকে কেন্দ্র করে ‘সৃজনশীল অর্থনীতি’র বিপুল সম্ভাবনার কথাও তুলে ধরেন।
বৈঠকে ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড অন্তর্ভুক্ত করে শিক্ষা পাঠ্যক্রমের আধুনিকায়ন, আগা খান একাডেমির ভাষা ও দক্ষতা উন্নয়ন প্রকল্প, স্বাস্থ্যসেবা ও নার্সিং পেশাজীবীদের প্রশিক্ষণ এবং রোহিঙ্গা মানবিক সংকট মোকাবিলায় এ কে ডি এন-এর সম্ভাব্য সম্পৃক্ততা নিয়ে আলোচনা হয়। এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আরও মনোযোগ ও সহায়তার প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ করা হয়।
দু’পক্ষ পারস্পরিক সুবিধাজনক সময়ে হিজ হাইনেস রহিম আগা খান পঞ্চম-এর সম্ভাব্য বাংলাদেশ সফর নিয়েও আলোচনা করেন।
এর আগে এ কে ডি এন প্রতিনিধিদল পররাষ্ট্র সচিবের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করে এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় করে।





