মরদেহ হস্তান্তরের সময় নিহতের স্বজন, পুলিশ, বিজিবি, বিএসএফের কর্মকর্তারা এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শরীফপুর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নিপা রানী দাস।
স্থানীয় সূত্র জানায়, শুক্রবার বিকেলে দত্তগ্রাম সীমান্তসংলগ্ন মনু নদীর চরে গেলে ভারতের তারবেড়া এলাকার কাছে বিএসএফের গুলিতে নিহত হন দত্তগ্রামের লাখাইরচর এলাকার বাসিন্দা মুজিবুর রহমান। তিনি আজিজুর রহমান অজিবের ছেলে।
এ ঘটনায় নিশ্চিন্তপুর গ্রামের নাজমুল মিয়া (২২) আহত হন। তাকে উদ্ধার করে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনার পর বিএসএফ ও ভারতীয় পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ভারতের উনকোটি জেলা হাসপাতালের মর্গে নেয়।
এদিকে বিজিবির এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সীমান্তের ওপারে চোরাচালানের উদ্দেশ্যে প্রবেশ করা একদল বাংলাদেশির ওপর বিএসএফ গুলি চালালে মুজিব নিহত হন। বিএসএফের দাবি, তাদের সদস্যদের ওপর হামলার চেষ্টা হলে আত্মরক্ষার্থে গুলি ছোড়া হয়। বিজিবি আরও জানায়, নিহত ব্যক্তি পূর্বে চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে তথ্য রয়েছে।
তবে নিহতের পরিবারের সদস্যরা এ দাবি প্রত্যাখ্যান করেছেন। তাদের ভাষ্য, মুজিব মাছ ধরতে মনু নদীতে গিয়েছিলেন। সেখানে বিএসএফ তাকে গুলি করে হত্যা করে। ৪৬ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সরকার আসিফ মাহমুদ মরদেহ ফেরতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।





