হিমাগার প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ, ক্ষুব্ধ পার্বত্য এলাকার কৃষকরা

বান্দরবানের হিমাগার
বান্দরবানের হিমাগার | ছবি: এখন টিভি
0

বান্দরবানে কৃষিপণ্য সংরক্ষণের জন্য প্রায় দুই কোটি টাকা মূল্যের হিমাগার নির্মাণের বরাদ্দ থাকলেও পুরোনো ও জরাজীর্ণ একটি ভবনকে ধুয়ে মুছে রঙ করে হিমাগার তৈরির অভিযোগ উঠেছে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের বিরুদ্ধে। প্রকল্পের শর্ত অনুযায়ী ৪০ থেকে ৫০ টন ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন আধুনিক হিমাগার ভবন নির্মাণের কথা থাকলেও পুরোনো একটি ভবনে হিমাগার তৈরি করায় ক্ষোভ দেখা দিয়েছে স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে।

ধুয়ে মুছে রং করা হচ্ছে পরিত্যক্ত একটি ভবন। পুরোনো ও জরাজীর্ণ ভবনটি ব্যবহৃত হবে হিমাগার হিসেবে।

পাহাড়ে উৎপাদিত আম, আনারস, কলা, কাজু বাদামসহ বিভিন্ন কৃষিপণ্য সংরক্ষণের জন্য পার্বত্য জেলা বান্দরবানে এক কোটি ৮৫ লাখ টাকা ব্যয়ে হিমাগার নির্মাণের প্রকল্প অনুমোদন দেয় পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড। যেখানে কৃষিপণ্য সংরক্ষণ করে ন্যায্য দামে বিক্রি করতে পারবে কৃষক। কিন্তু প্রকল্পের শর্ত অনুযায়ী ৪০ থেকে ৫০ টন ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন আধুনিক ভবন নির্মাণ, উন্নত যন্ত্রপাতি স্থাপনসহ নানা সুযোগ সুবিধা থাকার কথা থাকলেও বাস্তবে মানা হয়নি কিছু।

এছাড়াও পরিত্যক্ত ভবনকে সংস্কার করে নির্মিত হিমাগারে কৃষিপন্য সংরক্ষণ করলে সেগুলো ঠিক থাকবে কি না- তা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, অনেকদিন পড়ে আছে। কিছুদিন ধরে দেখতেছে রঙের কাজ চলতেছে। এখানে আসলে কি হবে তারা জানে না।

একজন চাষী বলেন, ‘আমরা যদি আগে জানতাম, পণ্য ভালো রাখতে পারতাম। কিন্তু আজকে শুনলাম যে ওখানে একটা কোল্ড স্টোরেজ আছে, কোল্ড হিমাগার আছে।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে, ক্যামেরার সামনে কোনো কথা বলতে রাজি হননি চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আবু বিন মোহাম্মদ ইয়াছির আরাফাত।

২০২৫-২৬ অর্থবছরে এক কোটি ৮৫ লাখ টাকা ব্যয়ে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের কার্যাদেশ পায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স গ্লেন ভ্যালি।

জেআর