ইরাক অলিম্পিক কমিটিতে কর্মরত এবং দলের ঘনিষ্ঠ ওই কর্মকর্তা জানান, শেষপর্যন্ত হুসাইনকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমতি দেয়া হলেও দলের ফটোগ্রাফারকে দেশটিতে ঢুকতেই দেয়া হয়নি।
এই ঘটনায় ইরাক ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন বা আইমান হুসাইনের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। উল্লেখ্য, হুসাইনের গোলেই বিশ্বকাপের চূড়ান্ত পর্বে জায়গা করে নিয়েছিল ইরাক।
ইরাকি গণমাধ্যমেও আসা এই জিজ্ঞাসাবাদের ঘটনায় মার্কিন ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট এবং হোমল্যান্ড সিকিউরিটি ডিপার্টমেন্টের কাছ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা গেছে, বিশ্বকাপ শুরুর এক সপ্তাহেরও কম সময় আগে ইরাক দলকে অভ্যর্থনা জানাতে ভোরবেলায়ই অসংখ্য ভক্ত পতাকা হাতে বিমানবন্দরে জড়ো হন এবং খেলোয়াড়দের কাছে ছবি তোলার আবদার করেন।
ইরাকি কর্মকর্তা জানান, হুসাইনের ফোন তল্লাশি করা হয়। তিনি আরও বলেন, ‘জাতীয় দলের ফটোগ্রাফার তালাল সালাহকে ১০ ঘণ্টার বেশি সময় আটকে রাখা হয়। তারও ফোন একই রকম তল্লাশি করা হয় এবং শেষপর্যন্ত তাকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমতি দেয়া হয়নি।’
৪০ বছর আগে অভিষেকের পর এই প্রথম বিশ্বকাপে ফিরছে ইরাক। ৩০ বছর বয়সী হুসাইন এমন এক আক্রমণভাগের নেতৃত্ব দিচ্ছেন, যেখানে আছেন ইপসুইচ টাউনের আলি আল-হামাদি এবং প্রতিভাবান দুই তরুণ আলি জাসিম ও ইউসুফ আমিন।





