কিয়েভে অন্তত ৯টি বহুতল ভবন, একটি কিন্ডারগার্টেন ও স্বাস্থ্যকেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিদ্যুৎ কোম্পানি জানিয়েছে, ১ লাখ ৪০ হাজার বাসিন্দার বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। মেয়র ভিটালি ক্লিটস্কো বলেন,‘ কিয়েভে ৭ জন নিহত এবং অন্তত ৯০ জন আহত হয়েছেন। ৪০ হাজারের বেশি মানুষ মেট্রো স্টেশনে আশ্রয় নিয়েছেন। দিনিপ্রোতে ১৬ জন নিহত হন, যাদের মধ্যে দুই শিশু অন্তর্ভুক্ত।’
ইউক্রেনীয় বিমানবাহিনী জানিয়েছে, এই হামলায় ৩৩টি ব্যালাস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং ৮টি ‘জার্চন’ হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহৃত হয়েছে। যুদ্ধের ইতিহাসে একসঙ্গে এত বেশি সংখ্যক জার্চন ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের দৃষ্টান্ত নেই। শত্রুপক্ষ ৭০-এর বেশি ক্ষেপণাস্ত্র ও ৬৫০ ড্রোন ছুড়েছে।
জেলেনস্কি বলেন, ‘আমাদের গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী আজ রাতেও বড় ধরনের আক্রমণ হতে পারে। সবাইকে বিমান হামলার সতর্কসংকেতের দিকে মনোযোগ দিতে অনুরোধ করছি।’ তিনি আরও জোর দিয়ে বলেন, ইউক্রেনের কাছে রুশ ক্ষেপণাস্ত্র মোকাবিলার জন্য পর্যাপ্ত অস্ত্র নেই। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ‘প্যাট্রিয়ট’ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধক পাঠানোর আবেদন জানিয়েছেন, তবে সোমবার পর্যন্ত ট্রাম্প কোনো জবাব দেননি।
ক্রেমলিন জানিয়েছে, ইউক্রেনের ‘নৃশংস সন্ত্রাসী হামলা’র পর যুদ্ধ এখন ‘নতুন পরিস্থিতি’ তৈরি করেছে। রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দাবি, তারা কিয়েভে ১০টি সামরিক উৎপাদন কেন্দ্র লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। অন্যদিকে ইউক্রেনও রাশিয়ার ইলস্কি তেল শোধনাগারে ড্রোন হামলা চালিয়েছে।
জাতিসংঘের মুখপাত্র স্তেফান দুজারিক জানান, মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস রাশিয়ার এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন এবং তাৎক্ষণিক যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছেন।





