এবারের বিশ্বকাপে অংশ নেয়া ৪৮ দেশের একটি ইরান। মাঠে খেলে যোগ্য দল হিসেবেই বিশ্বকাপে জায়গা করে নিয়েছে দেশটি।
অথচ রাজনৈতিক অস্থিরতা, নিরাপত্তার উদ্বেগ আর বয়কট হুমকিতে এখনও অনিশ্চিত ইরানের বিশ্বকাপ। যদিও তাদের গ্রুপে থাকা বেলজিয়াম, নিউজিল্যান্ড ও মিশর আগে থেকেই পুরোদমে প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে।
গত ৩০ এপ্রিল ফিফা কংগ্রেসে সংস্থাটির সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো জানিয়েছিলেন, বিশ্বকাপের ম্যাচগুলো যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতেই খেলবে ইরান। তবে সন্দেহের বিষয় এই যে, ইনফান্তিনোর ঘোষণার সময় ইরানের কোনো প্রতিনিধিদল উপস্থিত ছিল না।
আরও একটি বিষয়ের জন্য ঘটনাটি উসকে দিয়েছে। ইরান ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি মেহদি তাজ ও তার সাথে আসা কর্মকর্তারা কংগ্রেসে যোগ দিতে যাওয়ার সময় টরন্টো বিমানবন্দর থেকে ফিরে যেতে বাধ্য হন। এরপর তেহরান অভিযোগ করে, সব ধরনের বৈধ কাগজপত্র ও ভিসা থাকা সত্ত্বেও কানাডার অভিবাসন কর্তৃপক্ষ তাদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করে।
আরও পড়ুন:
আগেই ইরানের চাহিদা মোতাবেক যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে তাদের ম্যাচ আয়োজনের দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে ফিফা। তবে ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি ইরানকে তাদের বেস ক্যাম্প যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনা থেকে মেক্সিকোর তিহুয়ানায় স্থানান্তরের অনুমতি দিয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রে ইরান যদি ক্যাম্প না করে তাহলে কর্মকর্তা ও সাপোর্ট স্টাফদের বিভিন্ন দেশের মধ্যে বারবার যাতায়াত করতে হবে। যার কারণে ভিসা জটিলতা বা কূটনৈতিক টানাপোড়েন থেকে নানান সমস্যার দেখা দিতে পারে। যার প্রভাব পড়বে দলেও।
নানান সমস্যার মধ্য দিয়েই ১৫ জুন ক্যালিফোর্নিয়ার সোফি স্টেডিয়ামে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে ইরান। একই মাঠে ২১ জুন দলটি খেলবে গ্রুপের শক্তিশালী দল বেলজিয়ামের বিপক্ষে। এরপর ২৬ জুন সিয়াটলে মিশরের বিপক্ষে নিজেদের শেষ গ্রুপ ম্যাচ খেলবে ইরান।
এখন দেখার বিষয় কতটা সহজে বিশ্বকাপ যাত্রা শেষ করে ইরান।




