বিবৃতিতে বলা হয়, সম্প্রতি ‘শরীয়তপুরের জাজিরায় এক নারীকে তার শিশু সন্তানের সামনে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে’ দাবি করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ভিডিওটি পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের নজরে এসেছে। প্রকাশিত ভিডিওটি শরীয়তপুরের জাজিরার কোনো ঘটনা নয়। এই ভিডিওটির সঙ্গে ধর্ষণ বা হত্যার কোনো সম্পর্কও নেই।’
ভিডিওটি সম্পর্কে পুলিশের অনুসন্ধানে জানা যায়, আনুমানিক এক বছরেরও অধিক সময় পূর্বে জায়গা-জমি সংক্রান্তে দেবর ভাসুরদের সাথে পারিবারিক বিরোধের জেরে এক নারী তার শিশু পুত্রকে সাথে নিয়ে মাদারীপুরের কালকিনী থানায় এসেছিলেন।
ওই নারীর অভিযোগ অনুযায়ী, তার দেবর বা ভাসুরদের সঙ্গে ঝগড়া-বিবাদের ঘটনা ঘটে। থানায় আসার পর ওই নারী হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন ও তার সঙ্গে থাকা শিশু ঘাবড়ে গিয়ে কান্না করে। ওই সময় থানা প্রাঙ্গণে উপস্থিত স্থানীয় এক সাংবাদিক মোবাইলফোনে শিশুটির কান্নার দৃশ্য ধারণ করেন এবং একটি অনলাইন মিডিয়ায় ভিডিওটি আপলোড করেন।
আরও পড়ুন:
বাংলাদেশ পুলিশ জানায়, তৎকালীন কালকিনী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সোহেল রানা ওই নারীর বিরোধ স্থানীয়ভাবে আপস-মীমাংসার মাধ্যমে নিষ্পত্তি করায় থানায় কোনো এফআইআর দায়ের করার প্রয়োজন হয়নি। আপলোডকৃত ভিডিওটিকে পরবর্তীতে বিকৃতভাবে উপস্থাপন করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনা হিসেবে প্রচার করা হয়েছে।
ওই তথ্যকে অসত্য ও ভুয়া দাবি করে বিবৃতিতে বলা হয়, এ বিষয়ে কয়েকটি দৈনিক পত্রিকায় ফ্যাক্ট চেক নিউজও প্রকাশিত হয়েছে।
সংস্থাটি জানায়, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টিকারী এ ধরনের অসত্য ভিডিও বা বক্তব্য প্রচারকারীদের বিরুদ্ধে আইনি তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।





