প্রথম জামাত সকাল ৭টায় অনুষ্ঠিত হয়। প্রথম জামাতে ইমামতি করেন বায়তুল মোকাররমের সিনিয়র পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা মুফতি মো. মিযানুর রহমান। মুকাব্বির হিসেবে ছিলেন মসজিদের মুয়াজ্জিন ক্বারি ইসহাক।
দ্বিতীয় জামাত সকাল ৮টায় অনুষ্ঠিত হয়। ইমাম হিসেবে ছিলেন ফাউন্ডেশনের জাকাত ফান্ড বিভাগের পরিচালক (রুটিন দায়িত্ব) ড. মাওলানা ওয়ালীয়ূর রহমান খান। মুকাব্বিরের দায়িত্ব পালন করেন মসজিদের প্রধান খাদেম মো. নাসির উল্লাহ।
তৃতীয় জামাত অনুষ্ঠিত হয় সকাল ৯টায়। এতে ইমামতি করেন ফাউন্ডেশনের মুফতি মো. আব্দুল্লাহ। মুকাব্বির হিসেবে থাকবেন মো. রুহুল আমিন।
সকাল ১০টার চতুর্থ জামাত অনুষ্ঠিত হবে। ইমামতি করবেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের (ইফা) দ্বীনি দাওয়াত ও সংস্কৃতি বিভাগের উপ-পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মাওলানা মোহাম্মদ নূর উদ্দীন। মুকাব্বিরের দায়িত্ব পালন করবেন মো. আব্দুল হাদী।
আরও পড়ুন:
পঞ্চম বা সর্বশেষ জামাত সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে অনুষ্ঠিত হবে। এতে ইমামতি করবেন ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমির ধর্মীয় প্রশিক্ষক জুবাইর আহাম্মদ আল-আযহারী। মুকাব্বির হিসেবে থাকবেন মো. আমির হোসেন।
বিকল্প ইমাম হিসেবে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সহকারী লাইব্রেরিয়ান মাওলানা শহীদুল ইসলাম প্রস্তুত ছিলেন।
প্রতিটি জামাত শেষে পরম করুণাময় আল্লাহর কাছে গুনাহ থেকে মাফ চেয়ে দেশ, জাতি ও বিশ্ব সম্প্রদায়ের জন্য কল্যাণ কামনা করে মোনাজাত করা হয়।
মোনাজাতে প্রত্যেকের কোরবানি ও এবাদত যেন আল্লাহ কবুল করেন সেজন্য আল্লাহর কাছে ফরিয়াদ জানানো হয়।
এছাড়া মোনাজাতে মৃত আত্মীয়-স্বজনদের জন্য জান্নাত কামনা করা হয়। এসময় মুসল্লিদের অনেকেই চোখের জলে নিজের গুনাহের জন্য আল্লাহর কাছে মাফ চান এবং বিশ্ববাসীর কল্যাণ কামনা করেন।—বাসস




