‘ট্রাম্প’—এর পর এবার ‘নেইমার’, দাম হাঁকানো হয়েছে ১৫ লাখ টাকা।
একজন বিক্রেতা বলেন, ‘এটা আমাদের। নাম দেয়া হয়েছে সাধের বসে, নেইমার। যেহেতু ওর হেয়ার কাটিংটা একটু ওই টাইপের। তো সেক্ষেত্রে আমাদের গরুটা অনেক শান্ত এবং খুবই ভালো একটা গরু।’
সকাল থেকেই কোরবানি পশুর হাটগুলোতে ছিল না ক্রেতা সমাগম। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকে ক্রেতার ভিড়। কিন্তু এই ভিড় বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। এর মাঝেই বাধা সৃষ্টি করে বৃষ্টি। তবে বৃষ্টি উপেক্ষা করেও চলতে থাকে কেনাবেচা। গরু মহিষের পাশাপাশি রয়েছে উট, ছাগল, ভেড়া ও দুম্বা। তবে দেখা যায়নি আমদানিকৃত পশু।
বিক্রেতাদের মধ্যে একজন বলেন, ‘এবছর গরুর দাম অনেক কম। আমরা যে টাকা দিয়া কিনে নিয়ে এসেছি গ্রাম থেকে, সে টাকা বেচতে পারতেছি না, আমাদের অনেক লস।’
আরও পড়ুন:
অন্য একজন বলেন, ‘ক্রেতা কালকে মোটামুটি ভালো ছিল। আশা করি আজকে ক্রেতা চাপ বাড়বে।’
হাটগুলোতে পাল্টাপাল্টি অভিযোগে সরব ক্রেতা বিক্রেতারা। উৎপাদন খরচ অনুযায়ী দাম না পাওয়ার অভিযোগ বিক্রেতাদের। তবে দাম বৃদ্ধির কথা বলছেন ক্রেতারা।
ক্রেতাদের মধ্যে একজন বলেন, ‘আমার কাছে গরুর দাম গত বছরের তুলনায় ৩০ টু ৪০ পার্সেন্ট বেশি দাম। আর যে গরুটা আমি গতবার ১ লাখ ১০ হাজারে কিনেছি, এটা ৩ লাখ টাকা দাম চায়। এটা দামাদামি করে হয়তো ২ লাখ টাকায় কিনবে মানুষ।’
অন্য একজন বলেন, ‘ছোট ছোট গরুর দামগুলো খুব বেশি চাচ্ছে। আগেরবারের তুলনা থেকে এবারের মোটামুটিভাবে একটু দাম বেশি।’
এদিকে গাবতলী পশুর হাট পরিদর্শনে গিয়ে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান জানান, নগরবাসীর সুবিধার্থে নির্বিঘ্নে যেন পশু ক্রয় করতে পারে এবং যানজট নিরসনে হাটগুলোতে সার্বিক ব্যবস্থা তদারকি করছে সিটি করপোরেশন।
শফিকুল ইসলাম খান বলেন, ‘গরু বিভিন্ন জায়গা থেকে এসে যাতে মেইন রাস্তায় না থামে, সেটাও আমাদের নজর এখন পর্যন্ত পড়েনি। এই ভিজিটটা অব্যাহত থাকবে ঈদের দিন পর্যন্ত। যাতে করে নির্বিঘ্নে নগরবাসী তাদের গরু ক্রয় করে নির্বিঘ্নে তার বাসভবনে গিয়ে পৌঁছাতে পারে।’
রাজধানীবাসীর কোরবানির জন্য হাটগুলোতে রয়েছে পর্যাপ্ত পশু। সেই সঙ্গে নেয়া হয়েছে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থাও। অপরাধ দমনে মোতায়েন করা হয়েছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী।




