পল্লবীতে শিশু রামিসা হত্যা: ঘাতক সোহেলের স্বীকারোক্তি, কারাগারে দম্পতি

শিশু রামিসা হত্যার ঘাতক সোহেল
শিশু রামিসা হত্যার ঘাতক সোহেল | ছবি: এখন টিভি
0

রাজধানীর পল্লবীতে সাত বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যার কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছে ঘাতক সোহেল রানা। গতকাল (বুধবার, ২০ মে) ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করা হলে সে ১৬৪ ধারায় এ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়। জবানবন্দি শেষে আদালত সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, গতকাল বিকেল সোয়া ৩টার দিকে কড়া নিরাপত্তায় সোহেল রানাকে আদালতে তোলা হয়। এসময় আদালতের বাইরে উপস্থিত বিক্ষুব্ধ জনতার রোষানলে পড়ে ঘাতক। পুলিশ এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের অধিকতর তদন্তের জন্য ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেছিল। তবে প্রধান আসামি সোহেল রানা ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনায়েদের আদালতে স্বেচ্ছায় অপরাধ স্বীকার করায় আদালত তাকে ও তার স্ত্রীকে সরাসরি কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী জানান, গ্রেপ্তার হওয়া দুই আসামির মধ্যে মূল অভিযুক্ত সোহেল রানা জবানবন্দি দিলেও তার স্ত্রী দেননি। তবে মামলার স্বার্থে দু জনকেই কারাগারে রাখা হয়েছে।

আরও পড়ুন

এদিকে, রাজধানীর বনশ্রী এলাকার একটি মাদরাসার বাথরুম থেকে ১০ বছরের এক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত শিক্ষার্থীর নাম মো. আব্দুল্লাহ। মঙ্গলবার (১৯ মে) রাতে এই ঘটনা ঘটে।

মরদেহ উদ্ধারের পর আব্দুল্লাহর পরিবার বিষয়টিকে ‘রহস্যজনক’ বলে দাবি করেছে। নিহতের মা বলেন, ‘ছেলের সঙ্গে আমার নিয়মিত কথা হতো। ও কেন এমন করবে আমি জানি না। আমি এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার চাই।’

পুলিশ জানিয়েছে, মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদনে আব্দুল্লাহর শরীরের স্পর্শকাতর অংশে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। ডিএমপির মিডিয়া সেলের উপ-কমিশনার এন এম নাসিরুদ্দিন জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়েছে। এটি হত্যা না কি আত্মহত্যা, তা ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনার তদন্তে ইতোমধ্যে পুলিশের একাধিক টিম কাজ শুরু করেছে।

জেআর