গত মাসে ওয়াশিংটনে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের সঙ্গে ওই আগ্রহপত্র সই করেন শাফরি। তিনি জানান, ওই পত্রে প্রতিটি দেশের আঞ্চলিক অখণ্ডতার প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন, ইন্দোনেশিয়া আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি দিলে তার জন্য একটি নির্দিষ্ট নীতিমালা তৈরি এবং স্থানীয় আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। শাফরি বলেন, ‘আকাশসীমা ব্যবহারের বিষয়ে আমরা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি প্রতিশ্রুতিও দিইনি। আমরা আমাদের সংবিধান ও জাতীয় স্বার্থকে সমুন্নত রাখি।’
ইন্দোনেশিয়ার আকাশসীমা ব্যবহারের বিষয়টি গত মাসেই দেশটিতে বিতর্কের জন্ম দিয়েছিল। রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়কে সতর্ক করে বলেছিল যে মার্কিন সামরিক বাহিনীকে কোনো ‘আগাম’ বা সার্বিক অনুমতি দিলে জাকার্তা দক্ষিণ চীন সাগরের সম্ভাব্য দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়তে পারে।
শাফরি জানান, গত বছর আসিয়ান দেশগুলোর এক বৈঠকে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ এই আকাশসীমা ব্যবহারের অনুরোধ করেছিলেন। হেগসেথ তখন ‘জরুরি কারণ’ দেখিয়ে এই প্রবেশাধিকার চেয়েছিলেন বলে শাফরি জানান। তবে এ বিষয়ে তিনি বিস্তারিত আর কিছু বলেননি।
প্রতিরক্ষামন্ত্রীর এই বক্তব্যের বিষয়ে পেন্টাগনের মন্তব্য জানতে চাওয়া হলেও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। গত মাসে ওয়াশিংটনে দুই নেতার বৈঠকের পর পেন্টাগন জানিয়েছিল, দুই দেশ একটি বড় ধরনের প্রতিরক্ষা সহযোগিতা অংশীদারত্ব গড়ে তুলেছে। শাফরি বলেন, ‘এই অংশীদারত্বের আওতায় ইন্দোনেশিয়ার সামরিক বাহিনীর আধুনিকায়ন এবং ইন্দোনেশীয় সেনাদের প্রশিক্ষণ দেবে যুক্তরাষ্ট্র।’ তবে সেখানে কোনো নির্দিষ্ট সমরাস্ত্রের কথা উল্লেখ করা হয়নি।





