ড্রোন অনুপ্রবেশের ঘটনায় প্রতিরক্ষামন্ত্রীর পদক্ষেপে অসন্তুষ্ট ছিলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি প্রতিরক্ষামন্ত্রীকে সরিয়ে রাইভিস মেলনিসকে স্থলাভিষিক্ত করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু প্রগ্রেসিভস পার্টি এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে এবং প্রধানমন্ত্রীর প্রতি তাদের সমর্থন প্রত্যাহার করে নেয়। এর ফলে সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারান সিলিনা।
বৃহস্পতিবার সকালে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে পদত্যাগের ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি এই পরিস্থিতির জন্য দলের অভ্যন্তরীণ ‘তুচ্ছ বিরোধ’কে দায়ী করেন। সিলিনা বলেন, ‘আমি পদত্যাগ করছি, কিন্তু হার মানছি না।’
তার এই মন্তব্যকে আগামী অক্টোবরে নির্ধারিত সংসদ নির্বাচনের আগাম ইঙ্গিত হিসেবেই দেখছেন বিশ্লেষকরা।
এদিকে, এই রাজনৈতিক সংকট উত্তরণে খুব শিগগির আলোচনা শুরু হবে বলে আশা করা হচ্ছে। নির্বাচন পর্যন্ত একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের সম্ভাবনা রয়েছে।
লাটভিয়ার প্রেসিডেন্ট এডগারস রিনকেভিচস শুক্রবার সংসদীয় রাজনৈতিক দলগুলোর নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। গত বুধবার রাতে ফেসবুকে এক বার্তায় তিনি বলেন, ‘লাটভিয়া এখন কোনো রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা ও অস্থিতিশীলতা মেনে নিতে পারে না।’





