দোয়ার পটভূমি ও নাজিলের কারণ (Background of the Dua)
রাসুলুল্লাহ (সা.) যখন ওহি (Revelation) মুখস্থ করতেন, তখন অনেক ক্ষেত্রে তার বেশ কষ্ট হতো। ওহি পাওয়ার সময় তার এই কষ্ট লাঘব করতে এবং ধৈর্য ধারণের নির্দেশ দিয়ে মহান আল্লাহ তায়ালা সুরা ত্ব-হার ১১৪ নম্বর আয়াতের এই অংশটি নাজিল করেন:
আরবি: رَّبِّ زِدْنِي عِلْمًا
বাংলা উচ্চারণ: রাব্বি জিদনি ইলমা।
বাংলা অর্থ: হে আমার পালনকর্তা! আমার জ্ঞান বৃদ্ধি করুন।
আরও পড়ুন:
দোয়ার তাৎপর্য ও শিক্ষা (Significance and Teachings)
এটি সুরা ত্ব-হার ১১৪ নম্বর আয়াতের একটি বিশেষ অংশ। এই দোয়াটি রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে উদ্দেশ্য করে বলা হলেও এটি মূলত কেয়ামত পর্যন্ত সকল মুমিনের জন্য একটি বিশেষ শিক্ষা। এর মাধ্যমে মুমিনরা শিখতে পারে যে, প্রকৃত জ্ঞান অর্জনের জন্য সর্বদা আল্লাহর মুখাপেক্ষী হতে হয় এবং তার কাছেই প্রার্থনা করতে হয়। তাফসির ইবনে কাসিরের বর্ণনা অনুযায়ী, ওহি লাভের সময় ধৈর্য ও জ্ঞান বৃদ্ধির আবেদনের জন্যই এই দোয়াটি নির্দিষ্ট।
হাদিসের আলোকে জ্ঞানার্জনের ফজিলত (Virtues of Seeking Knowledge)
"রাব্বি জিদনি ইলমা" দোয়াটি পাঠের ফজিলত অপরিসীম। হাদিসে জ্ঞানের গুরুত্ব সম্পর্কে রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, "যে ব্যক্তি জ্ঞান অর্জনের পথে চলে, আল্লাহ তার জন্য জান্নাতের পথ (Way to Jannah) সহজ করে দেন" (সহিহ মুসলিম: ২৬৯৯)। নিয়মিত এই আমলটি করলে আল্লাহ তায়ালা বান্দার মেধা ও প্রজ্ঞা বাড়িয়ে দেন।
আরও পড়ুন:





