ব্যবসায়ীরা জানান, প্রতি টন পাথর তারা সর্বোচ্চ ১৩ ডলারে আমদানি করেন। তবে এসব পাথরের ২০ থেকে ৩০ শতাংশ নিম্নমানের হওয়ায় তা ফেলে দিতে হয়। এতেই লাভের পরিমাণ কমে যায়। এর মধ্যেই ভারতীয় কর্তৃপক্ষ হঠাৎ করে পাথরের অ্যাসেসমেন্ট ভ্যালু আরও ২ ডলার বাড়িয়ে ১৫ ডলার নির্ধারণ করায় ক্ষোভে আমদানি বন্ধ করে দেন ব্যবসায়ীরা।
আরও পড়ুন:
সোনামসজিদ পোর্ট লিংক লিমিটেডের জনসংযোগ কর্মকর্তা টিপু সুলতান জানান, সাধারণ সময়ে সোনামসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে প্রতিদিন গড়ে প্রায় তিনশো পাথরবাহী ট্রাক প্রবেশ করলেও বর্তমানে সেখানে আসছে মাত্র ২০ থেকে ৩০টি পণ্যবাহী ট্রাক।
এতে একদিকে যেমন বিপুল রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার, অন্যদিকে ক্ষতির মুখে পড়ছে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা।




