এক ম্যাচ চুক্তির নাহিদ রানা বনে গেলেন জালমির ‘তুরুপের তাস’

নাহিদ রানা
নাহিদ রানা | ছবি: নাহিদ রানার ফেসবুক
0

এক ম্যাচের জন্য নাহিদ রানাকে উড়িয়ে নিয়েছিল পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) দল পেশোয়ার জালমি। আর সেটার কার্যকারিতারও প্রমাণ দিয়েছেন টাইগার পেসার। পিএসএল ফাইনালে দুই উইকেট আর একঝাঁক রেকর্ডের পর পেশোয়ারকে এনে দিয়েছেন শিরোপা।

পিএসএল ফাইনালের বিগ ম্যাচে নাহিদ রানাকে পেতে মরিয়া ছিলো পেশোয়ার জালমি। সেটার উপযুক্ত প্রতিদানও দিয়েছেন তিনি। লাহোরের হাউজফুল ফাইনালে হায়দ্রাবাদ কিংসম্যানের বিপক্ষে শুরুতে পেয়েছেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের উইকেট, এরপর ফিরিয়েছেন হুনাইন শাহকে। তার আগুন ঝরানো বোলিংয়ের দিনে পেশোয়ার জালমি ৯ বছরের অপেক্ষা কাটিয়ে ঘরে তুলেছেন নিজেদের দ্বিতীয় পিএসএল শিরোপা।

লাহোরে আগে ব্যাট করতে নেমে হায়দ্রাবাদের শুরুটা ছিলো ভালো। কিন্তু পাওয়ার-প্লে শেষে ধস নামে তাদের। তাতে নাহিদও রেখেছেন অবদান। মিডল অর্ডারে গ্লেন ম্যাক্সওয়েলকে ক্যাচ দিতে বাধ্য করেছেন। ব্যক্তিগত তৃতীয় ওভারে হুনাইন শাহকে সাজঘরে ফিরিয়েছেন দারুণ এক ইয়র্কার ডেলিভারিতে।

হুনাইন শাহকে ফেরানোর ওভার ছিলো ‘উইকেট মেইডেন’। পিএসএল ইতিহাসে দ্বিতীয় বোলার এবং প্রথম পেসার হিসেবে ফাইনালে মেইডেনের রেকর্ড এখন নাহিদ রানার সঙ্গী।

আরও পড়ুন:

এর আগে এমন কীর্তি ছিলো খুশদিল শাহ’র। আর নির্ধারিত ৪ ওভার শেষে এবারের পিএসএলে সবচেয়ে ইকোনমিক্যাল বোলারও হয়েছেন এ টাইগার পেসার। ওভারপ্রতি খরচ করেছেন মোটে ৫ দশমিক ৫২ রান।

এছাড়া অন্তত ৬ উইকেট পেয়েছেন এমন বোলারদের মধ্যেও গড় হিসেবে সবার ওপরে আছেন চাঁপাই এক্সপ্রেস। প্রতি ১০ দশমিক ৮৮ রানের বিনিময়ে পেয়েছেন ১টি করে উইকেট।

নাহিদ রানা এদিন সঙ্গী হিসেবে পেয়েছেন অ্যারন হার্ডিকে। অজি এ অলরাউন্ডার শিকার করেছেন ৪ উইকেট, হয়েছেন ম্যান অব দ্য ম্যাচ। তাতে হায়দ্রাবাদ অলআউট হয়েছে ১২৯ রানে। রানতাড়ায় নেমেও হার্ডির ওপরেই নির্ভর করেছে পেশোয়ার।

তার এক ফিফটিতেই ৫ উইকেটে জয় তুলে নিয়েছে পেশোয়ার জালমি। সেইসঙ্গে চতুর্থ বাংলাদেশি হিসেবে দেশের বাইরের লিগে শিরোপার স্বাদ পেয়েছেন নাহিদ রানা।

এসএইচ