বর্তমানে যুদ্ধ পরিস্থিতি বর্তমান সরকারের একটি বড় চ্যালেঞ্জ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিগত দিনে দেশ ছিলো আমদানিনির্ভর। জনগণের ভোগান্তি না বাড়িয়ে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা অব্যাহত আছে।’
১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে প্রমাণ হয়েছে, জনপ্রশাসন যদি সঠিকভাবে কাজ করে তাহলে সঠিকভাবে জনরায়ের প্রতিফলন হয়— যোগ করেন তিনি।
এসময় জনপ্রশাসনের প্রতিটি পদকে গুরুত্বপূর্ণ ভেবে, যেকোনো পদে কাজ করতে নিজেদের প্রস্তুত করার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। সেই সঙ্গে স্বচ্ছতা ও দ্রুততার সঙ্গে জনপ্রশাসনে শূন্য পদে নিয়োগ দেয়া হবে বলেও ঘোষণা দেন তিনি।
আরও পড়ুন:
তিনি বলেন, ‘দলমত নির্বিশেষে রাষ্ট্রের প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই এ সরকারের অন্যতম লক্ষ্য। এরই মধ্যে বিভিন্ন সেক্টর চিহ্নিত করে, সরকার দেশে বিদেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে কাজ শুরু করেছে।’
জুলাই সনদের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘নির্বাচনি ইশতেহার ও স্বাক্ষরিত জুলাই সনদের প্রতিটি দফা পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়নে এ সরকার বদ্ধ পরিকর।’
তিনি বলেন, ‘সুশাসন হবে বর্তমান সরকারের রাষ্ট্র পরিচালনার মূল ভিত্তি। ইচ্ছামতো নিত্যপণ্যের দাম বাড়ানো, সিন্ডিকেট তৈরি, কৃত্রিম সংকট তৈরি রোধে নিয়মিত বাজার তদারকি করতে হবে।’
এসময় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা নিয়মিত ও দৃশ্যমান করতে ডিসিদের প্রতি আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।





