ওমরাহ শেষে চুল ছোট করা না কি ন্যাড়া—কী বলছে শরীয়ত? জানুন সঠিক নিয়ম

ওমরাহ শেষে চুল কাটার নিয়ম
ওমরাহ শেষে চুল কাটার নিয়ম | ছবি: এখন টিভি
0

ওমরাহ পালনের পর ইহরাম (Ihram) থেকে মুক্ত হওয়ার জন্য পুরুষদের মাথা ন্যাড়া করা বা চুল ছোট করা একটি আবশ্যিক বিধান। সম্প্রতি ভারতের দারুল উলুম দেওবন্দের দারুল ইফতা (Darul Ifta) এই বিষয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ ফতোয়া প্রদান করেছে, যা ওমরাহ পালনকারীদের অনেক দিনের সংশয় দূর করেছে।

বিষয় (Topic) পদ্ধতি (Method) শর্ত/মন্তব্য (Condition)
হলক (Halq) পুরো মাথা ন্যাড়া করা চুল ছোট বা বড় যাই হোক, এটি করা উত্তম।
কসর (Qasr) পুরো মাথার চুল ছোট করা চুল অন্তত ১ ইঞ্চি (এক কর) লম্বা হতে হবে।
বাধ্যতামূলক ন্যাড়া ক্ষুর দিয়ে মুণ্ডন যদি চুল ১ করের চেয়ে ছোট থাকে।
ইহরাম থেকে মুক্তি চুল কাটার পর চুল না কাটা পর্যন্ত ইহরামের বিধিনিষেধ বহাল থাকে।

আরও পড়ুন:

চুল ছোট করার বিধান (Rules of Cutting Hair)

ফতোয়া অনুযায়ী, ওমরাহ সম্পন্ন করার পর মাথা ন্যাড়া করা বা চুল ছোট করা বাধ্যতামূলক। যদি মাথার চুল অন্তত আঙুলের এক কর বা প্রায় এক ইঞ্চি পরিমাণ লম্বা হয়, তবে পুরো মাথার চুল সমানভাবে ছোট করা যাবে। শরীয়তের পরিভাষায় একে ‘কসর’ (Qasr) বলা হয়। এক্ষেত্রে কাঁচি বা ট্রিমার ব্যবহার করা জায়েজ।

কখন মাথা ন্যাড়া করা আবশ্যক? (When Shaving Head is Mandatory)

যদি কারও মাথার চুল আঙুলের এক করের চেয়ে ছোট হয়, তবে তার জন্য কেবল কাঁচি দিয়ে চুল ছোট করার কোনো সুযোগ নেই। এমতাবস্থায় তাকে অবশ্যই পুরো মাথা ন্যাড়া করতে হবে। একে পরিভাষায় ‘হলক’ (Halq) বলা হয়, যা ক্ষুর বা ব্লেড দিয়ে সম্পন্ন করতে হয়।

দারুল উলুম দেওবন্দ স্পষ্ট করেছে যে, চুল পর্যাপ্ত লম্বা না হওয়া সত্ত্বেও যদি কেউ কেবল কাঁচি দিয়ে নামমাত্র চুল কাটেন, তবে তার ইহরাম সম্পূর্ণভাবে খোলা হবে না এবং তিনি ইহরামের বিধিনিষেধ থেকে মুক্ত হতে পারবেন না।

আরও পড়ুন:

এসআর